৫ম শ্রেণি পাস করেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার নামে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরে ৩ নারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮। মাদারীপুর র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মো. রাকিবুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।গ্রেফতারকৃতরা হলেন রাজৈর উপজেলার পূর্ব মহেন্দ্রদী গ্রামের তারা মিয়া ফকিরের মেয়ে লাকী আক্তার ঊর্মি ও তার ছোট বোন আবজানুর আক্তার আফসানা এবং ঘোষালকান্দী গ্রামের ইমারত হাওলাদারের স্ত্রী আসমা বেগম। সোমবার দুপুরে রাজৈর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজৈর উপজেলার পূর্ব মহেন্দ্রদী গ্রামের তারা মিয়া ফকিরের ৫ম শ্রেণি পাস করা মেয়ে লাকী আক্তার ঊর্মি নিজেকে বিশেষায়িত চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট ব্রিজের উত্তর পাড়ে চেম্বার খুলে বসে। ঐ অফিসের ক্যাশিয়ার তারই ছোট বোন আবজানুর আক্তার আফসানা ও চিকিৎসা সহকারী আসমা বেগম। তারা দীর্ঘ ৩ বছর ধরে চিকিৎসার নামে এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।হৃদরোগ, কিডনী, ফুসফুস, ক্যান্সার, ডায়াবেটিক, যকৃৎ, টিউমারসহ কঠিন ও জটিল রোগের চিকিৎসা করে আসছিল ৫ম শ্রেণি পাস স্বঘোষিত বিশেষায়িত চিকিৎসক লাকী আক্তার ঊর্মি। আগত রোগীদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য রোগ নির্ণয় করতে ল্যাপটপ ও ডিভাইজার প্রদর্শন করতো লাকী আক্তার। প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে রোগীদের কাছে ভুয়া ও নকল ঔষুধ বিক্রি করে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই প্রতারক চক্র। শুধু তাই নয় চক্রটি এলাকার বহু বেকার যুবক-যুবতি ও মধ্যবিত্ত ঘরের গৃহবধূকে লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্রের জাল সারা দেশে বিস্তৃত। বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ৮টি শাখা ও পনেরশ’ সদস্য। ধারণা করা হচ্ছে প্রতারক চক্রটি অসহায় মানুষের কাছ থেকে মাসে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।সূত্রঃসিনিউজ.কম

কিভাবে ফার্মেসীর ব্যবসার লাইসেন্স করবেন…?সফল ব্যবসায়ী হতে চাইলে কী কী করণীয় জেনে নিন বিস্তারিত।

ঢামেক নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হলেন ‘গরীবের ডাক্তার’ এজাজ

ভিজিট ফি কম হওয়ায় সবাই তাকে ‘গরীবের ডাক্তার’ নামে ডাকেন। অন্যদিকে অভিনয়ে তিনি এতোটাই জনপ্রিয়, যে কোন নাটক সিনেমায় তার উপস্থিতি মানেই বাড়তি বিনোদন।তিনি জনপ্রিয় অভিনেতা, চিকিৎসক ডা. এজাজ। ডা. এজাজের নতুন খবর হলো তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবাইকে জানালেন নির্মাতা অনিমেষ আইচ। অনিমেষ আইচ বলেন, ‘দেশের মানুষের কাছে তিনি একজন স্বনামধন্য অভিনেতা পাশাপাশি একজন সুচিকিৎসক। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হয়েছেন, অবশ্যই এটি আমাদের জন্য গর্ব ও আনন্দের।এই নির্মাতা আরো বলেন, ‘কিন্তু এ নিয়ে কোন সংবাদ দেখলাম না কোন পত্রিকা কিংবা টেলিভিশন চ্যানেলে। অথচ কার সংগে কার ডিভোর্স হলো, কার সুন্দরী হওয়ার নেপথ্য ইতিহাস কি? এনিয়ে জাতির মাথা ব্যাথার অন্ত নাই। মিডিয়ার মানুষদের বিজয়ের গল্প ও সাধারন মানুষদের জানা দরকার। এ ইতিহাস কেবল কিছু বিভ্রান্তির গল্পে সীমাবদ্ধ নয়। অভিনন্দন এজাজ ভাই।’যোগদানের বিষয়ে ডা. এজাজ বলেন, চিকিৎসক হিসেবে ব্যস্ততা তো আগে থেকেই ছিল। এখন নতুন দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ততা আরেকটু বেড়েছে। সবাই আমাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে ভালোবাসেন। এই ব্যস্ততার মাঝেও যখনই সময় বের করতে পারবো অভিনয় করবো। একই সঙ্গে চিকিৎসক হিসেবে আমার দায়িত্বও ঠিকভাবে পালন করে যাবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।উল্লেখ্য, ডা. এজাজুল ইসলাম রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।নন্দিত সাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরে মিডিয়ায় অভিনয় শুরু করেন এজাজ। সাবলীল অভিনয় নৈপুণ্যে তিনি নজর কেড়েছেন। ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ‘তারকাঁটা’ চলচ্চিত্রের জন্য।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার