০__ইসলামী শিক্ষনীয় গল্প “মা”।______০__

ইমাম তাবরানী ও ইমাম আহমাদ একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন । রাসুল (সাঃ) এর যুগে আলকামা নামে মদীনায় এক যুবক বাস করতো ।সে নামায, রোযা ও সদকার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার ইবাদাত বন্দেগীতে অতিশয় অধ্যবসায় সহকারে লিপ্ত থাকতো । একবার সে কঠিন রোগে আক্রান্ত হলো । তার স্ত্রী রাসুল (সাঃ) এর কাছে খবর পাঠালো যে, আমার সামী আলকামা মুমূর্ষ অবস্থায় আছে । হে রাসুল, আমি আপনাকে তার অবস্থা জানানো জরুরী মনে করেছি ।রাসুল (সাঃ) তৎক্ষণাত হযরত আম্মার, সুহাইব ও বিলাল (রাঃ) কে তার কাছে পাঠালেন । তাদেরকে বলে দিলেন যে, তোমরা তার কাছে গিয়ে তাকে কলেমায়ে শাহাদাৎ পড়াও । তারা গিয়ে দেখলেন, আলকামা মুমূর্ষ অবস্থায় রয়েছে

তাই তারা তাকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু পড়াতে চেষ্টা করতে লাগলেন । কিন্তু সে কোন মতেই কলেমা উচ্চারণ করতে পারছিল না । অগত্যা তারা রাসুল (সাঃ) কে খবর পাঠালেন যে, আলকামার মুখে কলেমা উচ্চারিত হচ্ছে না । যে ব্যক্তি এই সংবাদ নিয়ে গিয়েছিলেন, তার কাছে রাসুল (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেনঃ আলকামার পিতামাতার মধ্যে কেউ কি জীবিত আছে?সে বললোঃ হে রাসুল, তার কেবল বৃদ্ধা মা বেচে আছে । রাসুল (সাঃ) তৎক্ষনাত তাকে আলকামার মায়ের কাছে পাঠালেন এবং বললেনঃ তাকে গিয়ে বল যে, তুমি যদি রাসুল (সাঃ) এর কাছে যেতে পার তবে চল, নচেত অপেক্ষা কর, তিনি তোমার সাথে সাক্ষাত করতে আসছেন । দূত আলকামার মায়ের কাছে উপস্থিত হয়ে রাসুল (সাঃ) যা বলেছিলেন যা বলেছিলেন তা জানালে আলকামার মা বললেনঃ রাসুল (সাঃ) এর জন্য আমার প্রাণ উৎসর্গ হোক । তার কাছে বরং আমিই যাবো । বৃদ্ধা লাঠি ভর দিয়ে রাসুল (সাঃ) এর কাছে এসে সালাম করলেন । রাসুল (সাঃ) সালামের জবাব দিয়ে বললেনঃ ওহে আলকামার মা, আমাকে আপনি সত্য কথা বলবেন ।

আর যদি মিথ্যা বলেন, তবে আল্লাহর কাছ থেকে আমার কাছে ওহি আসবে । বলুন তো, আপনার ছেলে আলকামার স্বভাব চরিত্র কেমন ছিল? বৃদ্ধা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল, সে প্রচুর পরিমাণে নামায, রোযা ও সদকা আদায় করতো । রাসুল (সাঃ) বললেনঃ তার প্রতি আপনার মনোভাব কী? বৃদ্ধা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল, আমি তার প্রতি অসন্তুষ্ট । রাসুল (সাঃ) বললেন, কেন? বৃদ্ধা বললেনঃ সে তার স্ত্রীকে আমার ওপর অগ্রাধিকার দিত এবং আমার আদেশ অমান্য করতো । রাসুল (সাঃ) বললেনঃ আলকামার মায়ের অসন্তোষ হেতু কলেমা উচ্চারণে আলকামার জিহবা আড়ষ্ট হয়ে গেছে । তারপর রাসুল (সাঃ) বললেনঃ হে বিলাল, যাও, আমার জন্য প্রচুর পরিমাণে কাষ্ঠ যোগাড় করে নিয়ে এসো ।

বৃদ্ধা বললেনঃ হে আল্লাহর রসুল, কাষ্ঠ দিয়ে কি করবেন? রাসুল (সাঃ) বললেনঃ আমি ওকে আপনার সামনেই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেব । বৃদ্ধা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল । আমার সামনেই আমার ছেলেকে আগুন দিয়ে পোড়াবেন । তা আমি সহ্য করতে পারবো না । রাসুল (সাঃ) বললেনঃ ওহে আলকামার মা, আল্লাহর আযাব এর চেয়েও কঠোর এবং দীর্ঘস্থায়ী । এখন আপনি যদি চান যে, আল্লাহ আপনার ছেলেকে মাফ করে দিক, তাহলে তাকে আপনি মাফ করে দিন এবং তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যান । নচেত যে আল্লাহর হাতে আমার প্রাণ তার কসম, যতক্ষণ আপনি তার ওপর অসন্তুষ্ট থাকবেন, ততক্ষণ নামায-রোযা ও সদকা দিয়ে আলকামার কোন লাভ হবে না ।

একথা শুনে আলকামার মা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল, আমি আল্লাহকে, আল্লাহর ফেরেশতাদেরকে এবং এখানে যে সকল মুসলমান উপস্থিত, তাদের সকলকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি আমার ছেলে আলকামার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছি । রাসুল (সাঃ) বললেনঃ ওহে বিলাল, এবার আলকামার কাছে যাও । দেখ, সে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতে পারে কি না । কেননা আমার মনে হয়, আলকামার মা আমার কাছে কোন লাজলজ্জা না রেখে যথারথ কথাই বলেছে । হযরত বিলাল (রাঃ) তৎক্ষনাত গেলেন । শুনতে পেলেন, ঘরের ভেতর থেকে আলকামা উচ্চসরে উচ্চারণ করছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ। অতঃপর বিলাল গৃহে প্রবেশ করে উপস্থিত জনতাকে বললেনঃ শুনে রাখ, আলকামার মা অসন্তুষ্ট থাকার কারণে সে প্রথমে কলেমা উচ্চারণ করতে পারে নি ।

পরে তিনি সন্তুষ্ট হয়ে যাওয়ায় তার জিহবা কলেমা উচ্চারণে সক্ষম হয়েছে । অতঃপর আলকামা সেই দিনই মারা যায় এবং রাসুল (সাঃ) নিজে উপস্থিত হয়ে তার গোসল ও কাফনের নির্দেশ দেন, জানাজার নামায পড়ান এবং দাফনে শরীক হন । অতঃপর তার কবরে দাঁড়িয়ে রাসুল (সাঃ) বলেনঃ হে আনসার ও মুহাজেরগণ! যে ব্যক্তি মায়ের ওপর স্ত্রীকে অগ্রাধিকার দেয় তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতাগণ ও সকল মানুষের অভিসম্পাত! আল্লাহ তার পক্ষে কোন সুপারিশ কবুল করবেন না । কেবল তওবা করে ও মায়ের প্রতি সদব্যবহার করে তাকে সন্তুষ্ট করলেই নিস্তার পাওয়া যাবে । মনে রাখবে, মায়ের সন্তুষ্টিতেই আল্লাহর সন্তোষ এবং মায়ের অসন্তোষেই আল্লাহর অসন্তোষ ।

মক্তব থেকে এসে
খলীফা উমারের ছেলে
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে।
উমার (রা) তাকে টেনে
জিজ্ঞাসা করলেন,
কাঁদছ কেন বৎস?
ছেলে উত্তর দিল,
“সবাই আমাকে
টিটকারী দেয়।” বলে,
“দেখনা জামার ছিরি,
চৌদ্দ জায়গায় তালি।
বাপ নাকি আবার
মুসলিম জাহানের
শাসনকর্তা।” বলে
ছেলেটি তার কান্নার
মাত্রা আরো বাড়িয়ে
দিল।
ছেলে কথা শুনে উমার
(রা) ভাবলেন
কিছুক্ষন। তারপর
বাইতুল মা’লের
কোষাধ্যক্ষকে লিখে
পাঠালেন, “আমাকে
আগামী মাসের ভাতা
থেকে চার দিরহাম ধার
দেবেন?”
উত্তরে কোষাধ্যক্ষ
তাঁকে লিখে জানালেন,
“আপনি ধার নিতে
পারেন। কিন্তু কাল
যদি আপনি মারা যান
তাহলে কে আপনার
ধার শোধ করবে কে?”
উমার (রা) ছেলের
মাথায় হাত বুলিয়ে
সান্ত্বনা দিয়ে
বললেন, “যাও বাবা, যা
আছে তা পরেই
মক্তবে যাবে।
আমাদের তোআর
অনেক টাকা পয়সা
নেই। আমি খলীফা
সত্য, কিন্তু ধন সম্পদ
তো সবই জন
সাধারণের।সংগৃহীত
কার্টেসি: গল্পকার

“পর্দা” লেখা: ( হ্মুদ্র লেখক)

সাত বছরের ছোট্ট মেয়ে তানহা কে তার আম্মু দুপুরের খাবার খেতে দিয়েছে,, কয়েক লোকমা খাওয়ার পর তানহা তার আম্মু’কে হঠাৎ বলল,, আম্মু আম্মু,, তুমি বাহিরে কোথাও যাওয়ার সময় এভাবে
যাও কেন..? কি’ভাবে যায় মামুনি..? এই
যে বোরকা,, হাত মোজা,, পা মোজা,, তার
উপর আবার মুখ বাধো কেন..? [হাসি দিয়ে] মামুনি,, এ’সব তো পর্দা করে চলি,, পর্দা মানে কি আম্মু..? পর্দা মানে হলো,, ঢেকে রাখা,, আবৃত করা,, এটা কেন করতে হয় আম্মু..? কারণ,, পর্দা আল্লাহ্ তা’য়ালা ও তাঁর রাসূলের নির্দেশিত প্রদত্ত বিধান।..!!

এই বিধান মেনে চলা,, পালন করা প্রতিটি নারীদের উপর ফরজ,, আর পর্দা মানে
আবরণ,, যা সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদের সু’সংরক্ষন,, কিন্তু আম্মু,, আমাদের পাশের বাড়ির আন্টি আর ওনার মেয়েরা তোমার মতো করে এভাবে বের হয় না কেন..?
ওরা পর্দা করে না কেন..? মামুনি,, তুমি আগে ভাত খেয়ে নাও তারপর বলবো কেমন,, আগে খেয়ে নাও..!

তার’পর তানহা’ কে তার আম্মু খাওয়ানোর পরে তাকে ফ্রেশ করে দেয়,, এর একটু’পর তানহা আবারো তার মাকে জিজ্ঞেস করলো,, আম্মু বলো না আন্টিরা কেন তোমার মতো করে পর্দা করে না..?
তখন সামিয়া একটু ভাবনার মধ্যে পড়ে যায়,, কারণ,,, তিনি চাচ্ছেন না যে এতটুকু ছোট্ট বাচ্চা মেয়ে’কে অন্যের ব্যাপারে মন্দ বা খারাপ কিছু বলতে,, কেননা,, ছোট বয়সী বাচ্চা ছেলে মেয়েদের কে অন্যের ব্যাপারে যা বুঝানো হয় কিংবা বলা হয়
তারা ঠিক সেটাই বুঝে নেয়,, আর ওটা নিয়ে’ই তাদের মনে অন্যের প্রতি একটা ধারনা জন্মে..!

তখন তার আম্মু বলল,, মামুনি এই যেমন ধরো,, তুমি তো আগে ব্রাশ না করেই হুট করে খাবার খেয়ে ফেলতে,, তুমি তো আগে জানতেনা যে ব্রাশ না করে খাবার খেলে কি ক্ষতি হয়,, কিন্তু যখন তুমি জেনেছ বা শিখেছ যে,, ব্রাশ না করে খাবার খেলে দাঁতে পোকা হয়,, পেটে নানান রকমের
অসুখ বাঁধে,, এই’টা জানার পর থেকে’ই তো তুমি ব্রাশ করে খাবার খাও তাই না মামুনি..? হ্যাঁ আম্মু,, ঠিক তেমন’টাই মামুনি,, যখন তোমার ওই আন্টি জানতে পারবে যে পর্দা না করলে বা পর্দা না করে
কোথাও বের হলে কি ক্ষতি হয়,, তখন থেকে আর পর্দা না করে কোথাও বের হবে না,, এখন জানে’না তো তাই ওভাবে বের হয়,, বুঝছ মামুনি..? হ্যাঁ আম্মু এবার বুঝেছি,, আচ্ছা আম্মু,, পর্দা না করলে কি হয়..? আল্লাহ্ কি রাগ করবে..? আল্লাহ্
কি মারবে..? না মামুনি,, আল্লাহ্ মারবেনা,, তবে হ্যাঁ রাগ করবে,, এই যেমন ধরো,, তোমার স্যার তোমাকে পড়ায়,,হ্যাঁ,, আর তোমাকে প্রতিদিন হোমওয়ার্ক দেয়,,
আরো অনেক কিছু বলে ও শিখায় তাই’না..? কি করলে ভালো হবে আর কি করলে ভালো হবে না,, তা’তো তোমার স্যার তোমাকে শিখায়,, আর তোমাকে সারের দেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রথম কাজ কি বলো’তো মামুনি..? স্যারের হোমওয়ার্ক করা,, হ্যাঁ মামুনি,, তোমাকে দেওয়া তোমার স্যারের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রথম কাজ’টি তুমি যদি যথাযথ’ভাবে পালন না করো,, হয়তো তোমার স্যার তোমাকে মারবে না,, কিন্তুু স্যার কি তোমার উপর রাগ করবে না..?

করবে তো,, জানো আম্মু,, আমি যখন স্যারের কথা না শুনি,, তখন না স্যার খুব রাগ করে আমার উপর,, আর যখন আমি স্যারের কথাগুলো শুনি,, স্যারের দেয়া হোমওয়ার্ক টা করি,, তখন স্যার না আমার উপর খুব খুশি হয়,, আর খুশি হয়ে আমাকে চকলেট দেয়,, এই’তো মামুনি ঠিক এরকম’ই,, আল্লাহর দেওয়া কাজগুলো যখন আমরা যথাযথ’ভাবে পালন করি তখন আল্লাহও আমাদের উপর খুব খুশি হন,, আর যখন ওনার দেওয়া কাজগুলো আমরা পালন করি না,, তখন ওনি খুব
রাগ করেন,, আমার স্যার খুশি হলে আমাকে চকলেট দেয়,, আর আমি যা চাই স্যার আমাকে তা’ও দেয়,, কিন্তুু আম্মু,, আল্লাহ খুশি হলে কি দেয়..? আল্লাহও খুশি হয়ে আমাদের’কে অনেক কিছু দেয় মামুনি,, যা এই দুনিয়ার কেউ কাউ’কে দিতে পারেনা আর পারবেও না,, আর আল্লাহর কাছ থেকে যা চাইবে,, আল্লাহ্ ঠিক তাই দিবে,, আল্লাহ অনেক ভাল তাইনা আম্মু,,
হ্যাঁ মামুনি,, আল্লাহ খুব ভাল,, আল্লাহ
তা’য়ালা’ই সব..!

আল্লাহ্ কখনো’ই আমাদের উপর এমনি এমনি রাগ করেনা,, যদি আমরা আল্লাহর দেওয়া কাজ’গুলোর বিরোধীতা করি,, কিংবা কাজ’গুলো না করি,, তখন আল্লাহ আমাদের উপর রাগ করে,, আচ্ছা আম্মু,, পর্দা না করলে,, বাসা থেকে পর্দা না করে বের হলে কি ক্ষতি হয়..? অনেক কিছু’ই ক্ষতি হয় মামুনি,, মামুনি মনে করো,,
তুমি খাবার খাবে,, খাবার’টা যে পাত্রে রাখা আছে,, সেই পাত্র’টি তুমি যদি ঢাকনা কিংবা অন্য’কিছু দিয়ে ঢেকে রাখো,, তাহলে সেটার ভিতরে কোন খারাপ কিছু ডুকতে পারবে’না বা খেতে পারবে’না,, যদি তুমি ঢাকনা দিয়ে কিংবা কোন’কিছু দিয়ে সেটা ঢেকে না রাখো,, তাহলে কি ওখানে ইঁদুর বিড়াল এসে খাবার’গুলো খেয়ে ফেলবে’না..? হ্যাঁ,, খেয়ে ফেলবে তো,, আর ওই খাবার আমি তো খেতেও পারবো না,,
হ্যাঁ,, মামুনি ঠিক তেমন’টাই প্রতি’টি নারীর উচিত ওই খাবার পাত্রের ঢাকনা মতো নিজে’কে পর্দা করে ঢেকে রাখা,, পর্দার ভিতরে আগলে রাখা,, যদি পর্দা
না করে চলে বা বের হয়,, তাহলে ওই ঢাকনা বিহীন খাবারের উপরে ইঁদুর বিড়াল এসে আক্রমণ করবে,, [গালে হাত দিয়ে] আল্লাহ..!

আম্মু আম্মু,, তাহলে আমিও তোমার মতো বোরকা পড়বো,, হাত মোজা,, পা মোজা পড়বো,, পর্দা করবো কেমন,, ইনশাআল্লাহ্ মামুনি তা তো অবশ্যই করবে,, তোমাকে পর্দা মেনে চলতে হবে,, তুমি পর্দা করলে আল্লাহ্ খুব খুশি হবে তোমার উপর,, এতে
আল্লাহর দেওয়া হুকুমও মানা হবে আর এতে তোমার অন্তর প্রশান্ত হবে এবং পবিত্র থাকবে,, আর তুমি পর্দা করলে,, পর্দা করে বের হলে,, নিজেকে নিজেই সংরক্ষীত করবে,, আর এই পর্দা করার কারণে তুমি সকল প্রকার খারাপ জিনিস কিংবা
খারাপ নজর থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে..!

ঠিক আছে আম্মু,, আল্লাহ্ যেন আমার উপর কখন’ই রাগ না করে আমি পর্দা
করে ঠিক সে’ভাবে’ই চলবো,, আর আল্লাহ ও আমাকে তখন চকলেট দিবে তাই না আম্মু..? [হাসি দিয়ে] হ্যাঁ মামুনি,,আল্লাহ তোমার উপর খুব খুশি হবে,, শুধু চকলেট না,, তোমায় আরও অনেক কিছু দিবেন,,
[মাকে জড়িয়ে ধরে ]তখন খুব ভালো হবে তাই না আম্মু..? হ্যাঁ মামুনি,, কি মজা কি মজা,, আমি পর্দা করবো,, আমিও তোমার মতো হবো,, অবশ্যই মামুনি,, [মেয়েকে কুলে তুলে নিয়ে] আল্লাহ তোমাকে পর্দানশীল ভাবে বেড়ে উঠার এবং সঠিক ভাবে চলার তৌফিক দান করুক..!!

তাই সকল আপুদের প্রতি একটি অনুরোধ,, আসুন না,, আমরা নিজেরাও পর্দা করি এবং আমাদের পাশা’পাশি ছোট্ট মামুনিদের’কেও [আপনার ছোট বোন কিংবা আপনার ছোট মেয়েদের] এখন থেকে পর্দার ব্যাপারে সঠিক জ্ঞান দান করে তাদের’কে পর্দা মেনে চলতে আগ্রহী করে তুলি এবং উৎসাহিত করি,, আর পর্দা’কে আকড়ে ধরি,, আল্লাহর দেওয়া এই বিধান’কে মেনে চলি,, এর ফলে যেমন
আমাদের জীবন হবে সুন্দর ও শান্তিময়,, তেমনি এ সমাজ থেকে দূর হবে অশান্তি,, এবং সমাজ হবে শান্তিময় সহজ সুন্দর..!!

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার