যে সব খাবর ভুলেও ফ্রিজে রাখবেন না

বাংলাদেশের মতো গরম আবহাওয়ার দেশে খাবার ঠিকভাবে না রাখলেই তা পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। আবার অনেকের রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ কিনে ওঠার মতো আর্থিক সঙ্গতি থাকে না। তবে যারা রেফ্রিজারেটর কেনেন, তাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না, কোন খাবার জিনিসগুলি ফ্রিজে রাখা উচিত আর কোনগুলি নয়। আর তা না জেনেই অনেক জিনিসই আমরা ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিই যা কখনও করা উচিত নয়।
দেখে নিন, কোন কোন খাবার জিনিস একবার ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেওয়া মানেই তা নষ্ট হয়ে যায়।

টম্যোটো : টম্যোটো ফ্রিজে রাখলে তা শক্ত হয়ে যায় ও স্বাদ চলে যায়। তবে টম্যোটো পাকাতে চাইলে কাগজে মুড়িয়ে তা ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।

আলু :  ফ্রিজে রাখা মানেই আলুর স্বাদ বদল হয়ে যাবে। তাই শুকনো জায়গায় আলু রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

তেল কখনও তেল ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। ঘরোয়া তাপমাত্রায় তেল রাখলেই তা বহুদিন ভালো থাকে।

আচার : আচারকে ফ্রিজে না রেখে জানলার পাশে যেখানে সূর্যের আলো পড়ে সেখানে রাখলে তা দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

পাঁউরুটি :  ফ্রিজে রাখলে পাঁউরুটির মধ্যে থাকা ভিজে ভাব শুকিয়ে যায়। তাই তা কখনও করা উচিত নয়।

রসুন : ফ্রিজে রাখলেই স্বাদ ও গন্ধ চলে যায় রসুনের। একইসঙ্গে তা তাড়াতাড়ি পচেও যায়।

পেঁয়াজ : পেঁয়াজ বহুদিন ভালো রাখতে চাইলে পেপারের ব্যাগে ভালো করে মুড়িয়ে রাখলেই তা তাজা থাকে। তার জন্য ফ্রিজের কোনও প্রয়োজন নেই। এছাড়া আলু ও পেঁয়াজ কখনও একসঙ্গে রাখতে নেই।

জ্যাম : অনেক সময়ে আমরা জ্যাম বা জেলিকে ফ্রিজে রাখি। তবে তা করলে এর মধ্য়ে থাকা প্রিজারভেটিবস দানা বেঁধে যায়। তাই তা কখনও করা উচিত নয়।

কফি:  কফির প্যাকেট বা কৌটো ফ্রিজে রাখলে তা জমে গিয়ে স্বাদ চলে যায় ও গন্ধ বদলে যায়।

 

 খোসাতে গুন যেসব ফলের

চাষবাসের ক্ষেত্রে যেভাবে আজকাল যথেচ্ছ কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, তাতে ফল বা সবজির গায়ে লেগে থাকে নানা জীবাণু। তাই সেগুলি খাওয়ার আগে খোসাটা মোটা করে কেটে নিলেই এড়ানো যাবে রোগবালাই। এটাই ধারণা বেশিরভাগ মানুষের। কিন্তু, জানেন কি? এমন কিছু ফল ও সবজি রয়েছে, যেগুলির আসল গুণ লুকিয়ে রয়েছে তার খোসাতেই। কাজেই খোসা কেটে বাদ দিয়ে দিলে, ফেলনা হয়ে যায় নানা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল। আপনার ফল-সবজি খাওয়ার উদ্দেশ্যটাই জলে যায়। কাজেই জেনে নিন, কোন কোন ফল বা সবজি খোসা সমেত খাবেন।

আপেল: বেশিরভাগ লোকই খোসা সমেত আপেল খেতে পছন্দ করেন। তবে, শুচিবায়ুগ্রস্ত অনেকে আবার আপেল খাওয়ার আগেও সযত্নে সেটির খোসা ছাড়িয়ে নেন। কিন্তু, জানেন কি, গোটা একটা আপেলের থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ গুণ বেশি পুষ্টি ও ফাইবার থাকে আপেলের খোসাটিতে। এছাড়াও আপেলের খোসায় রয়েছে এসিই এনজাইম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমানোয় বিশেষ সহায়ক।

তরমুজ : অনেকে ভাবছেন, তরমুজের এত শক্ত খোসা আবার কি করে খাবেন? না, তরমুজের একেবারের বাইরের সবুজ খোসা নয়, সেটি কাটলে লাল তরমুজের গায়ে সাদা রঙের যে অংশটি থাকে, সেটিকেও অনেকে কেটে বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু, তাঁরা জানেন না, তরমুজের ওই সাদা অংশেই থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, বি৬ ও সিট্রুলিন নামে অ্যামিনো অ্যাসিড, যা রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ উপকারী।

লেবু : ঘরে ঘরে লেবু জুস করে খাওয়ার একটা প্রবণতা রয়েছে। কমলা হোক বা মুসম্বির রসই খেতে বেশি পছন্দ করে ছোট-বড় সবাই। কিন্তু জানেন কি, একটা লেবুর জুস খেয়ে যেটুকু পুষ্টি আপনার শরীরে যাচ্ছে, লেবুটির খোসাটিও যদি খেতেন, তবে পেতেন আরও অন্তত ২০ গুণ বেশি পুষ্টি। যেকোনও লেবুর ক্ষেত্রেই একই কথা প্রযোজ্য।

শশা : একটু তিতকুটে স্বাদের কারণে অনেকেই শশার খোসা ফেলে দিয়ে খেতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কিন্তু শশার খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সিলিকা, যা ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান। কাজেই তিতকুটে ভাব কাটাতে শশার খোসাটি কেটে বাদ দিয়ে দিলে কিন্তু শশার উপকারিতার ১০০% পাওয়া থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন।

আলু : হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে যদি দেখেন আলুর খোসা সমেতই রান্না করে দিয়ে দিয়েছে, তাহলে নিশ্চয়ই মেজাজটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু, যদি বলি, আপনি বাড়িতেও আলু রান্না করুন খোসা সমেতই। অবাক হচ্ছেন? আসলে আলুর খোসা ছাড়িয়ে রান্না করলে আপনি অনেক পুষ্টির অপচয় করবেন। কারণ আলুর খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন কে, কপার ও আয়রন, যা আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই আলু খোসা না ছাড়িয়ে খাওয়াই ভালো।
গাজর : একই কথা প্রযোজ্য গাজরের ক্ষেত্রেও। গাজরও খাওয়া উচিত খোসা সমেতই। গাজরের খোসাতেই লুকিয়ে থাকে অনেক অনেক পুষ্টিকর উপাদান। যা আমাদের চোখ, ত্বক, কোলনের সুরক্ষা করে। তাই গাজরটি খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিন, কিন্তু খোসা ফেলে দেবেন না।

গর্ভবতী নারীরা যেভাবে ঘুমালে শিশু মারাও যেতে পারে

মৃত সন্তান প্রসব প্রতিরোধে সন্তানসম্ভবা নারীদেরকে একপাশে কাত হয়ে শোওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।গর্ভধারণ কালের শেষ তিন মাস সম্ভাব্য মায়েদেরকে এভাবেই ঘুমাতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ব্রিটেনে প্রায় এক হাজার নারীর ওপর চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, পিঠের ওপর চিৎ হয়ে ঘুমালে মৃত শিশু জন্মদানের ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়।
গবেষণায় ২৯১ জন গর্ভবতী নারীর উপর নজর রাখা হয়েছিলো যারা মৃত শিশুর জন্ম দিয়েছেন এবং ৭৩৫ জন নারী জন্ম দিয়েছে জীবিত শিশুর।

এই সমীক্ষার পর গবেষকরা বলছেন, নবজাতকের স্বাস্থ্যের সাথে সম্ভাব্য মা কিভাবে ঘুমাচ্ছেন তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এবং ঘুমানোর এই ভঙ্গিটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তবে তারা এও বলছেন, ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর সন্তানসম্ভবা নারী যদি দেখেন যে তারা তাদের পিঠের ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে আছেন তাহলে দুশ্চিন্তা করা উচিত নয়।

ব্র্যাডফোর্ডের একজন নারী গ্রেইস, প্রেগনেন্সির ৩৫ সপ্তাহের মাথায় তার সন্তানকে হারিয়েছেন। তিনি বলছেন, “আমি জানতাম কিছু একটা ভুল হয়েছে। একদিন ঘুম থেকে উঠে বুঝতে পারলাম কিছু একটা হয়েছে। আমি হাসপাতালে ছুটে গেলাম। তারা মনিটর অন করে সেখানে শিশুর হার্টবিট খুঁজে পেল না। আমার জীবনের খুব কষ্টকর মুহূর্ত ছিলো সেটি- যখন দেখলাম আমার সন্তান তার জন্মের আগেই মারা গেছে।”
গ্রেইস এখনও জানেন না কী কারণে তার গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল।

যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২২৫টি গর্ভধারণের ক্ষেত্রে একটি মৃত শিশুর জন্ম হয়। বলা হচ্ছে, সম্ভাব্য মা যদি একপাশে কাত হয়ে ঘুমাতে যান তাহলে বছরে ১৩০টির মতো নবজাতকের জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
ব্রিটিশ জর্নাল অফ অবসটেট্রিক্স এন্ড গাইনোকলজি এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে।

এর আগে নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াতেও একই ধরনের গবেষণাতেও সন্তানসম্ভবা মায়েদেরকে প্রায় একই রকমের পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।
ম্যানচেস্টারে এই গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক প্রফেসর আলেকজান্ডার হেজেল এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, গর্ভবতী নারীদেরকে যে প্রশ্নটি করা হয়েছে সেটি হলো- তারা কি পজিশনে ঘুমাতে গিয়েছিলেন।
“এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই অবস্থানেই তিনি সবচেয়ে বেশি সময় কাটান। আর ঘুম থেকে উঠার পর নিজেকে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে দেখলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ ওই পজিশন নিয়ে কিছু করার আর কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু কী পজিশনে ঘুমাতে যাচ্ছেন সেবিষয়ে নারীরা অনেক কিছু করতে পারেন।
চিৎ হয়ে কিম্বা উপুড় হয়ে ঘুমালে মৃত সন্তান প্রসবের ঝুঁকি কেন বেড়ে যায় সেবিষয়ে গবেষকরা এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না।

কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে- নারীরা যখন পিঠের উপর শুয়ে থাকে তখন শিশু এবং গর্ভাশয় এই দুটোর মোট ওজন রক্তনালীগুলোর ওপর চাপ তৈরি করে। এর ফলে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে রক্ত এবং অক্সিজেনের প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে।
একপাশে কাত হয়ে কিভাবে ঘুমানো যায় তার কিছু পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা:
আপনি যখন ঘুমাতে বিছানায় যাবেন তখন আপনার পিঠের পেছনে কয়েকটি বালিশ রেখে দিন যাতে একদিকে কাত হয়েই ঘুমাতে হয়।

রাতের বেলা হঠাৎ যদি আপনার ঘুম ভেঙে যায়, তাহলে একবার দেখে নিন আপনি কী পজিশনে ঘুমিয়ে আছেন। তারপর আবার একপাশে কাত হয়ে ঘুমাতে চলে যান।
দিনের বেলায় ঘুমাতে গেলেও, যদি সেটা খুব অল্প সময়ের জন্যেও হয়, তখনও আপনি রাতের বেলায় ঘুমাতে যাওয়ার মতো শরীরের পজিশনকে গুরুত্ব দিন।
ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর যদি দেখেন চিৎ হয়ে শুয়ে আছেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। সাথে সাথেই একপাশে কাত হয়ে শুয়ে পড়ুন।

যে ১০ বদভ্যাস আপনার বুদ্ধির ধার কমায়

কারোও বুদ্ধি ক্ষুরধার, কারও বা ভোঁতা। মানুষের বুদ্ধিমত্তা কী যে কোনও পরিস্থিতিতে তফাৎ গড়ে দিতে পারে। বুদ্ধি যদি সঙ্গী থাকে তাহলে যে কোনও পরিস্থিতিতে শুরু বুদ্ধির জোরেই বাজিমাত করাও সম্ভব। কিন্তু বুদ্ধি এমন একটি জিনিস যাকে প্রতিনিয়ত ঘষামাজা করতে হয়। মাথাকে যদি কাজ না করানো যায়, তাহলে সেই ত্বেজী বুদ্ধি নিজের ত্বেজ হারাতেও সময় নেয় না। আচ্ছা ধ্যান, যোগাভ্যাস কী বুদ্ধি তীক্ষ্ন করতে সাহায্য করে? উত্তর হবে, কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ।

আচ্ছা এমন কোনও বিশেষ অভ্যাসের জন্য কী আপনার বুদ্ধির ধার কমতে পারে? উত্তর, অবশ্যই। এটুকু শুনেই বেশি ঘাবড়ে যাবেন না। সবসময় একটি জিনিস মাথায় রাখবেন, সুস্থ বুদ্ধি, সুস্থ শরীরেই বসবাস করে। সুস্থ বলতে এখানে শুধু শরীর নয়, মনও বটে। অর্থাৎ শরীরের পাশাপাশি মনকেও সুস্থ রাখতে হবে। আর সেক্ষেত্রে অবশ্যই জানা দরকার কোন কোন বদভ্যাস থেকে আপনার বুদ্ধি খর্ব হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘুম : কোনও কিছুই মাত্রাতিরিক্ত করা ভাল নয়। ঘুমও নয়। অতিরিক্ত ঘুম মানসির স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই উপকারি নয়। অতিরিক্ত ঘুমের ফলে ক্রমে মস্তিষ্ক অলস হতে শুরু করে। এর ফলে মন খারপ অসুখেও পরিণত হতে পারে।

ধূমপান : ধূমপান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজে বাধা প্রদান করে। ফলে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না। ধীরে ধীরে বুদ্ধির ধার কমতে থাকে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিতেও প্রভাব পড়ে।

অপুষ্টি : অপুষ্টির জেরেও বুদ্ধি লোপ পেতে শুরু করে। কারণ মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য যে পুষ্টিগুন আমাদের প্রয়োজন তা সঠিক পরিমান আমাদের শরীরে ঢুকছে না। এই জন্য রোগা হওয়ার জন্য না খেয়ে থাকা, ক্র্যাশ ডায়েট করা একেবারেই উচিত নয়।

মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ নেওয়া : আজকালকার প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় মানসিক চাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কিন্তু অকারণে মানসিক চাপ নেওয়া অনেকের চারিত্রিক বৈশিষ্টর মধ্যে পড়ে। এর ফলে মস্তিষ্কে চাপ পড়ে, আর এর ফলে আপনার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজের গতিবিধি ব্যহত হয়।

জীবনযাপন : আপনার জীবন যদি গতানুগতিক হয়, সেক্ষেত্রেও আপনার মানসিক স্বাস্থ্যে তার প্রভাব পড়তে পারে। সচল জীবনযাপন আপনার মাথাকে অতিরিক্ত অক্সিজেন জোগায়। যা আপনার বুদ্ধিকে ঘষে মেজে তৈরি করতে সাহায্য করে।

অপর্যাপ্ত ঘুম : বেশি ঘুমও যেমন শরীরের পক্ষে ভাল না, তেমনই ৭-৮ ঘন্টার কম ঘুমও শরীরের পক্ষে ভাল না। অনেকেই আছেন, সকাল তাড়াতাড়ি কাজে বেরনো সত্ত্বেও দেরি করে ঘুমতো যান। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেরি করে ঘুমলে গভীর ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ কম থাকে। তার উপর ৭-৮ ঘন্টা ঘুম না হলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। যা আপনার বুদ্ধিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

অ্যালকোহল অতিরিক্ত পরিমানে অ্যালকোহল সেবন করলে তার ফলে ডিপ্রেশন বা সারাক্ষণ উদ্বিগ্ন থাকার সমস্যা দেখা যেতে পারে। এর ফলে আপনার মানসিক শক্তিতে প্রভাব পড়তে পারে।

মাথার ব্যায়াম: যে কোনও যন্ত্রপাতি বহুদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তাতে জং পড়ে যায় কাজ করতে পারে না যন্ত্রপাতিগুলি। আমাদের মাথার মধ্যেও এরকম একাধিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। কিন্তু আমরা যদি নতুন কিছু শেখার মা জানার চেষ্টা না করি, মাথা যদি না খাটাই তাহলে মাথার ভিতরেরে যন্ত্রপাতিগুলোও অচল হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে বুদ্ধি লোপ পেতে থাকে।

একাকীত্ব : সবসময় চেষ্টা করুন একার সঙ্গে সময় না কাটিয়ে, ভারচুয়াল লাইফের বাইরে বাস্তব জীবনে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করুন। একার সঙ্গে সময় কাটাতে থাকলে সামাজিক জীবনের অভাব আপনার মস্তিষ্কে ও বুদ্ধিমত্তায় পড়তে পারে।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার