মহানবী (সা.) ছোট্ট এই দোয়াটি পড়ে রোগীকে ফুঁক দিতেন !

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিভিন্ন দোয়া পড়ে বহু রোগীকে আল্লাহর রহমতে সুস্থতা ফিরিয়ে দিয়েছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) যেসকল দোয়া পড়তে সেগুলোর মধ্যে নিচে একটি দোয়া বর্ণনা করা হলো। আরবি হাদিস: وَعَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه أَنَّهُ قَالَ لِثَابِتٍ رَحِمَهُ اللهُ: أَلاَ أَرْقِيكَ بِرُقْيَةِ رَسُولِ اللهِ ﷺ ؟ قَالَ: بَلَى، قَالَ: « اَللهم رَبَّ النَّاسِ، مُذْهِبَ البَأسِ، اِشْفِ أَنْتَ الشَّافِي،

لاَ شَافِيَ إِلاَّ أنْتَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَماً ». رواه البخاري বাংলা হাদিস: আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি সাবেত (রাহিমাহুল্লাহ) কে বললেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মন্ত্র দ্বারা ঝাড়ফুঁক করব না?’ সাবেত বললেন, অবশ্যই।’ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এই দোআ পড়লেন, আল্লাহুম্মা রাববান্না-স, মুযহিবাল বা’স, ইশফি আন্তাশ শা-ফী, লা শা-ফিয়া ইল্লা আন্ত্, শিফা-আল লা য়্যুগা-দিরু সাক্বামা।’’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! মানুষের প্রতিপালক!

তুমি কষ্ট দূর কর এবং আরোগ্য দান কর। (যেহেতু) তুমি রোগ আরোগ্যকারী। তুমি ছাড়া আরোগ্যকারী আর কেউ নেই। তুমি এমনভাবে রোগ নিরাময় কর, যেন তা রোগকে নির্মূল করে দেয়।[বুখারি ৫৭৪২, তিরমিযি ৯৭৩, আবু দাউদ ৩৮৯০, আহমদ ১২১২৩, ১৩৪১১]

খুলনার মাটিতে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত তীন গাছ বেড়ে উঠছে

পবিত্র কোরআনের ৩০তম পারার ৯৫ নম্বর সূরার প্রথম আয়াত وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ ‘ওয়াত্তীনি ওয়াযাইতূনি। বর্ণিত সূরায় আল্লাহতায়ালা তীন গাছের নামে শপথ করেছেন। সূরার প্রথম শব্দ তীন অনুসারে এ সূরার নামকরণ করা হয়েছে- সূরা আত-তীন। তীনের বাংলা অর্থ আঞ্জীর বা ডুমুর।মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম এশিয়ায় এ ফলের উৎপাদন বাণিজ্যিকভাবে করা হয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আফগানিস্তান থেকে পর্তূগাল পর্যন্ত এই ফলের বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্যে। তবে শখের বসে খুলনার মাটিতে একটি তীন গাছ মিসর থেকে এনে লাগানো হয়। বর্তমানে গাছটি সবলভাবে বেড়ে উঠছে। ধরছে ফলও।

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমার দাওহাতুল খাইর কমপ্লেক্স পরিচালিত সোসাইটি অব সোস্যাল রিফর্ম স্কুলের আঙ্গিনায় ২০১১ সালে সোসাইটি অব সোস্যাল এন্ড টেকনোলজিক্যাল সার্পোট কুয়েতের প্রাক্তন মহাপরিচালক আবু মুহাম্মদ আসসাওয়াদফি আল ফিকাহ মিসর থেকে এই গাছটি আনেন। গাছটি রোপন করেন দাওহাতুল খাইর কমপ্লেক্স এর পরিচালক সুফি সালাইমান মাসদ।
দাওহাতুল খাইর কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা সানোয়ার হুসাইন বলেন, খুলনার আবহাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের এই গাছটি অন্যান্য গাছের মতোই বেড়ে উঠেছে। গাছটিতেও ফলও ধরেছে। গাছটির ফল আমি খেয়েছি। এটি অনেক সুস্বাদু। তার দাবী, এ গাছটি বাংলাদেশে এই একটিই আছে।

সোসাইটি অব সোস্যাল রিফর্ম স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, পবিত্র কোরআনে বর্ণিত সূরা তীন যে গাছের নামে সেই তীন গাছ এ স্কুলে থাকায় অনেকে এটি দেখতে আসেন। বিশেষ করে যখন ফল ধরে তখন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আগ্রহ থাকে গাছটির প্রতি বেশি। এছাড়া অনেক দর্শনার্থী গাছটির খবর পেয়ে দেখতে আসেন।

জানা যায়, আঞ্জির হচ্ছে ডুমুর জাতীয় এক ধরনের ফল। এর গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus carica । ফাইকাস গণভুক্ত প্রায় ৮০০ প্রজাতির মধ্যে আঞ্জির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি। এই ফলের আকার কাকডুমুরের চেয়ে বড়; এটি একটি জনপ্রিয় মিষ্টি ও রসালো ফল।

হিন্দি, মারাঠি, ফার্সি ও উর্দু ভাষায় এই ফলকে আঞ্জির বলা হয় এবং আরবি ভাষায় এর নাম তীন। এ গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

পবিত্র কোরআনে এই ফলকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহরূপে ব্যক্ত করা হয়েছে। বাইবেলেও এই ফলের কথা উল্লেখ রয়েছে।

স্বামীঃ আসরের নামাজ পড়েছ? পড়ুন একটি গল্প…

স্বামীঃ আসরের নামাজ পড়েছ?
স্ত্রীঃ না।
স্বামীঃ কেন পড়নি?
.
স্ত্রীঃ মাত্র হাতের কাজ শেষ করলাম খুব ক্লান্ত
ঘুম আসছে।
.
স্বামীঃ মাগরিবের সময় তো হয়ে গেল।
তাড়াতাড়ি এশার আযানের আগেই মাগরিব
পড়ে আসর কাযা পড়ে নাও।
….
:পরদিন স্বামী ব্যবসার কাজে কিছুদিনের জন্যে
বাইরে গেল।
..
স্ত্রীঃ তার ফোনের অপেক্ষায়। কিন্তু যে সময়ে
পৌঁছে যাবার কথা সে সময় পার হয়ে গেলেও
স্বামীর কোন ফোন এলোনা।
.
স্ত্রী নিজেই ফোন দিল।
রিং হচ্ছে তবে সে রিসিভ করছেনা।
বেশ চিন্তায় পড়ে গেল। কোন দুর্ঘটনা ঘটলো
না তো?… কয়েকঘণ্টা পর স্বামীর ফোন আসল।

স্ত্রীঃ তুমি ঠিক আছো তো?
স্বামীঃ হুম… আলহামদুলিল্লাহ্।
.
স্ত্রীঃ কখন পৌঁছেছ?
স্বামীঃ এই তো, ঘণ্টা চারেক হল।
..
স্ত্রীঃ চার ঘণ্টা এর মধ্যে তুমি একবারও
আমাকে জানানোটা প্রয়োজন মনে করলানা?
আমিও তো কল করেছিলাম। রিং হয়েছে তাও
রিসিভ করনি। তুমি কি আমাকে পাত্তা দিচ্ছোনা?

স্বামীঃ (কিছুক্ষণ চুপ থেকে) তুমি এই সামান্য
ডাকে সাড়া না দাওয়াতেই রেগে যাচ্ছ। অথচ
গতকাল যখন তোমার কানে আল্লাহর ডাক
আজান পৌঁছেছিল, তখন তুমিও কিন্তু সময়
মত সাড়া দাওনি।

স্ত্রীঃ আমি বুঝতে পেরেছি। প্লিজ! আমাকে মাফ
করে দাও।
স্বামীঃ আমি না, আল্লাহ তোমাকে মাফ করে দিক।
আজ আমি নামাজের প্রতি গাফলতি করলেও
হয়ত তুমি এইভাবে আমাকে বুঝাতে। আর তুমি
রাগ করো না। আমি এমন করেছি কারণ আমি
চাই আল্লাহ জান্নাতেও আমদেরকে একসাথে
রাখুক।
———————————————————–
আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সকল কে ঈমানের
সাথে দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ার তৌফিক
দান করুক৷

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার