বিশ্বের সেরা ১০ ধনী ক্রিকেটারের তালিকা

ক্রিকেটের বাইশ গজের যুদ্ধে ক্রিকেটীয় বিনোদনের চেয়েও এখন টাকার মূল্য বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। টেস্ট, ওয়ানডে তো রয়েছেই। আইপিএল, বিপিএল ও সিপিএলের হাত ধরে ক্রিকেটকে যেন বেশ কয়েক গোলেই হারিয়ে দিচ্ছে টাকা। ক্রিকেট থেকে রোজগার তো বটেই, বিজ্ঞাপন বাবদ আয়ও কম নয় ক্রিকেটারদের।

এই তালিকায় রয়েছে একাধিক ভারতীয় ক্রিকেটার। সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু বিদেশি খেলোয়াড়ও। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক মোট সম্পত্তির নিরিখে বিশ্বের ধনীতম ১০ ক্রিকেটার কারা।

১০) এবি ডিভেলিয়ার্স: (৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার): দক্ষিণ আফ্রিকার এই ক্রিকেটারটি তালিকার দশ নম্বরে রয়েছে। বছরে তার আয় ৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার। এর মধ্যে ২ মিলিয়ন আসে বেতন হিসেবে। অন্য ২ মিলিয়ন এনডোর্সমেন্ট থেকে। ক্রিকেটের সুপারম্যান নামে বিখ্যাত এবি গোটা বছর জুড়ে এই অর্থ রোজগার করেন।

৯) কেভিন পিটারসেন: (৪.৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার): বেতন থেকে তিন মিলিয়ন ডলার ও এনডোর্সমেন্ট থেকে ১.৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেন কেভিন পিটারসেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পর শুধুমাত্র টি-২০ টুর্নামেন্টগুলি খেলেন কেপি। তাই থেকেই এত অর্থ রোজগার করেন এই ইংলিশ ক্রিকেটার। সব মিলিয়ে ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় নয় নম্বরে রয়েছেন তিনি।

৮) যুবরাজ সিং: (৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার): ক্যান্সারজয়ী ভারতের এই বাঁহাতি ক্রিকেটারটি ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় ৮ নম্বরে রয়েছেন। তাঁর বার্ষিক আয় ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার। এই রোজগারের মধ্যে ১.৫ মিলিয়ন ডলার তিনি আয় করেন পারিশ্রমিক হিবে। বাকিটা আসে এনডোর্সমেন্ট। আইপিএলে তাঁর আয় ১৬ কোটি থেকে ৭ কোটি হয়ে গেলেও, এনডোর্সমেন্ট থেকে নিজের আয় অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন।

৭) রোহিত শর্মা: (৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার): ওয়ান ডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের মালিক হলেন এই রোহিত শর্মা। ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় তিনি রয়েছেন সাত নম্বর স্থানে। রোহিতের বার্ষিক আয় ৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার। এই মুহূর্তে আইপিএলে তিনি রয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ন্সে। টিম ইন্ডিয়ার তিনি নিয়মিত সদস্য। রোহিতের মোট আয়ের তিন মিলিয়ন ডলার আসে বেতন থেকে। এনডোর্সমেন্ট তেকে আসে ২ মিলিয়ন ডলার।

৬) শেন ওয়াটসন: (৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার): রোজগারের ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনি সবার ওপরে। ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় তিনি রয়েছেন ৬ নম্বর স্থানে। তাঁর মোট আয়ের ৫০ শতাংশ আসে বেতন হিসেবে। অন্য অর্ধেকটা তিনি পান এনডোর্সমেন্ট থেকে। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু তাঁকে ৯.৫ কোটি টাকার বিনিময়ে কিনেছে। সব মিলিয়ে ওয়াটসনের আয় বেশ ওপরের দিকেই রয়েছে।

৫) ক্রিস গেইল: (৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার): বছরে ৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার পকেটে ঢোকান ক্যারিবিয়ান দৈত্য ক্রিস গেইল। এই অর্থের মধ্যে ৩ মিলিয়ন ডলার তিনি কামান এনডোর্সমেন্ট থেকে। অন্য ৪ মিলিয়ন ডলার আসে বেতন হিসেবে। পৃথিবীর এই অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানটি ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় ওপরের দিকেই রয়েছেন। পৃথিবীর প্রায় সব টি-২০ লিগগুলিতেই তাঁকে দেখা যায়।

৪) গৌতম সম্ভীর: (৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার): বেশ কিছু বছর বাইরে থাকার পর ফের জাতীয় দলে ফিরেছেন গৌতম গম্ভীর। আর ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় তিনি রয়েছেন চার নম্বর স্থানে। একটা সময় টিম ইন্ডিয়ার বাইরে থাকলেও, আইপিএল থেকে তাঁর আয় একটুও কমেনি। তাঁর মোট আয়ের আয়ের ৩.৫ মিলিয়ন ডলার আসে বেতন থেকে। বাকিটা তিনি রোজগার করেন এনডোর্সমেন্ট থেকে।

৩) বিরাট কোহলি: (১২ মিলিয়ন ইউএস ডলার): টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি এই তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে। ৩ মিলিয়ন ডলার তিনি বেতন হিসেবে রোজগার করলেও, ৯ মিলিয়ন ডলার তিনি পান এনডোর্সমেন্ট থেকে।

২) শচিন তেন্ডুলকর: (১৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার): ক্রিকেট তেকে বেশ কিছু বছর আগে অবসর নিয়েছেন শচিন তেন্ডুলকর। তবে তাঁর রোজগারে এতটুকু এখনও টোল পড়েনি। ধনীতম ক্রিকেটারের তালিকায় তিনি তাই রয়েছেন দু’নম্বর স্থানে। ক্রিকেট ছাড়ার কারণে তাঁর এই পুরো আয়টাই এখন আসে এনডোর্সমেন্ট থেকে।

১) মহেন্দ্র সিং ধোনি: (৩১.৫মিলিয়ন ইউএস ডলার): ক্রিকেটারদের মধ্যে ধনীতম হলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুধু তাই নয়, তিনি হলেন ২২তম ধনী ক্রীড়াব্যক্তিত্ব। সেরা ১০০’র তালিকায় তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার। ক্রিকেটের সবথেকে বড় সেলিব্রিটির নাম এই এমএস ধোনি।

ফেসবুক অ্যাড কিভাবে দিবেন, জেনে নিন চমৎকার টিপস

“BOOST POST” থেকে অ্যাড না দিলে ভালো

“boost post” থেকে ফেসবুক অ্যাড দিতে না করবো, কারন সেখানে আপনি অনেক কিছু বিস্তারিত পাবেন না, অ্যাড দেয়া মানে তো শুধু এই না যে টার্গেট বাজেট ঠিক করে অ্যাড দিয়ে দিলেন হয় গেলো, আপনার উচিত হবে পাওয়ার এডিটর টুলস এ গিয়ে “insight” থেকে অন্যদের পেজ দেখে এরপর অ্যাড দেয়া। অন্নদের পেজ মানে আপনার বিজনেস এর সাথে মিলে এমন সেখানে গিয়ে দেখেন তাদের পেজে কি ধরনের মানুষ আছে, কত বছরের মধ্যে আছে, ছেলে বেশি নাকি মেয়ে বেশি, তাদের ইন্টারেস্ট এর জায়গাগুলো কোথায় এরপর নিজের অ্যাড এর টার্গেট ঠিক করেন।

ঠিক সময়ে অ্যাড দেন, ইচ্ছামত সময়ে না

একটা কথা তো আছে যে সময় মত কাজ করা উচিত তাই না? ফেসবুক অ্যাড এর ক্ষেত্রে ও তাই, অবশ্যই সময় মত অ্যাড দিবেন, এখন কথা হচ্ছে ঠিক সময় কিভাবে বুঝবেন, এখানে ঠিক সময় আসবে আপনার ক্রেতা কারা তাদের উপর নির্ভর করে, তাই আগে জানুন আপনার ক্রেতা কারা, আপনার ক্রেতা যদি মহিলা হয় তাহলে মনে হয় না তাদেরকে রাত ১২ টার পর ফেসবুক এ পাওয়া যাবে আবার আপনার ক্রেতা যদি হয় ১৮-২৫ বছরের ছেলে তাদের দুপুরে পাওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু অনেক কম থাকবে, আবার যারা চাকুরি করে তারা বৃহস্পতিবার রাতে একটু বেশি সময় ফেসবুক এ দিবে এটা ও ধরে নেয়া যায় এরকম আরো অনেক ব্যাপার আছে তাই চিন্তা করে সময় ঠিক করেন এরপর অ্যাড দেন। এখানে আপনি ২ থেকে ৩টা সময়ে অ্যাড চালিয়ে দেখতে পারেন, পরবর্তীতে যেটা ভালো কাজ করবে সেটা করলেন।

“DAILY BUDGET” না দিলে ভালো

ফেসবুক অ্যাড সেট করার সময় দুইটা বিষয় থাকে বাজেট এর ওখানে একটা হচ্ছে “Daily budget” আর একটা হলো “life time budget”। আপনি যদি লাইফ টাইম বাজেট এ কাজ করেন ভালো হবে, এখানে সহজে ই ঠিক করে দেয়া যাবে আপনার বাজেট কর এবং আপনার অ্যাড কতদিন চলবে, লাইফ টাইম বাজেট মানে হচ্ছে আপনি প্রতিদিনের বাজেট ঠিক না করে একেবারে কতটাকার অ্যাড দিতে চান সেটা ঠিক করবেন। তারমানে এখানে ফেসবুক ঠিক করে দিবে আপনার অ্যাড এর খরচ কিভাবে হতে পারে আর ডেইলি বাজেটে আপনি সেই সুবিধাটা পাচ্ছেন না। আপনি যেহেতু ডেইলি বাজেট দিয়ে রেখেছেন ফেসবুক সে অনুযায়ী দিনের একটা সময়ে আপনার অ্যাড চালাবে।

ছবি তে লেখা দিবেন না অথবা একদম কম লেখা দিবেন

ফেসবুক অ্যাড এর ক্ষেত্রে ছবিতে যত কম লেখা ব্যবহার করা যায় তত ভালো, ফেসবুক এর একটা নিয়ম আছে আপনি ফেসবুক অ্যাড এ ২০% এর বেশি লেখা দিতে পারবেন না অথবা দিলে ও সেটা আপনার অ্যাড এর পারফর্মেন্স এর উপর প্রভাব ফেলবে।

 অ্যাড এর ডিজাইন এ টেক্সট ঠিক আছে কিনা চেক করেন

নিচের লিঙ্ক টা অনেক উপকারি হতে পারে আপনার জন্য, ফেসবুক এ আপলোড করার আগে ডিজাইনটা চেক করে নেন যে ঠিক আছে কিনা। লেখা বেশি হলে ফেসবুক অনেক সময় অ্যাড বাতিল ও করে দেয়।

অ্যাড এর সাইজ 1200×628 Pixel রাখেন।

বুদ্ধিমত্তার সাথে টার্গেট করুন অ্যাড

অনেকে ফেসবুক অ্যাড এ রিচড কত হলো সেটা নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা করেন, মনে করেন রিচড বেশি মানেই সেল বেশি এটা কিন্তু ভুল, আপনি অ্যাড এ বাংলাদেশ এর সাথে অন্য একটা দেশ দিয়ে একটা চালিয়ে দেখতে পারেন রিচড কত বেশি হয় কিন্তু তাতে কি কোন লাভ হবে, আপনার দর্শক বাংলাদেশে অন্য দেশের দর্শকদের এনে আপনার রিচড হলো কিন্তু সেল কি হবে? তাই রিচড এর দিকে গুরুত্ব কম দিয়ে কোয়ালিটি টার্গেট করেন। আপনার ক্রেতা কারা, কিরকম বয়সের, কোন এলাকার মানুষ অনলাইনে এ এটা কিনতে পারে ইত্যাদি ইত্যাদি ব্যাপার। আর অ্যাড দেয়ার সময় আপনার পেজে ইতিমধ্যে যারা লাইক দিয়েছে তারা যেন অ্যাড দেখতে পারে সেই বাবস্থা করবেন কারন তারা অন্যদের থেকে আপনাকে হয়তো একটু ভালো করে চিনে কারন তারা আপনার পেজে লাইক দিয়েছে।

ফেসবুক এর নিয়ম ভঙ্গ করবেন না

আমরা যখন ফেসবুক এ কোন গ্রুপ বানাই তখন কত নিয়ম দেই তাই না, তাহলে ফেসবুক এর ও কিছু নিয়ম থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। আর আমরা যেমন গ্রউপের কেউ নিয়ম না মানে তাকে গ্রুপ থেকে বের করে দেই ফেসবুক ও তাই করবে তাই না? তাই ফেসবুক এর নিয়ম মেনে ফেসবুক অ্যাড দেন। আপনি হয়তো অবাক হবেন কেন আপনার অ্যাড একাউন্ট ব্যান হলো, এরকম তো হবার কথা না ইত্যাদি ইত্যাদি কিন্তু আপনি নিয়ম ভঙ্গ করলে ই কিন্তু ফেসবুক বাবস্থা নিবে, আর যদি ভুলে ফেসবুক কিছু করে সেটা আপনি তাদের জানাতে পারবেন তারা সেটা ঠিক করে দিবে। নিচের লিঙ্ক থেকে নিয়ম গুলা পড়ে নেন

 অ্যাড দেয়ার নিয়ম

কন্টেন্ট এ অনেক কিছু লিখার দরকার নাই

কন্টেন্ট এ অনেক কিছু লেখার দরকার নাই। আমার কথা যদি বলি যে সব পোস্ট এর শেষে “Continue reading” থাকে আমি সেগুলি মূলত পরি না, এতো বড় কন্টেন্ট ফেসবুক এ পড়তে ইচ্ছা করে না, শুধু আমি না হয়তো অনেকেই এই কাজ করে তাই কন্টেন্ট ছোট করেন। “see more” এ যাওয়ার আগে শেষ করতে পারলে ভালো। সেটা না হলে ও অনেক বড় করবেন না।

ইত্যাদি এবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে, জেনে নিন কখন

গণমানুষের অনুষ্ঠান ইত্যাদি। নতুন আর আভিজাত্যে ভরপুর বিনোদনের রাজা ইত্যাদি। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ইত্যাদি হানিফ সংকেতের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হবে। ঐতিহ্য, সম্পদ ও সৌন্দর্যের বিপুল আঁধার পর্যটন জেলা কক্সবাজার কেবল বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বুকেও এক অসামান্য স্থান দখল করে আছে। তাইতো এবারের ইত্যাদির পর্ব ধারণ করা হয়েছে প্রকৃতির অনন্য সৃষ্টি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।

কক্সবাজারের হিমছড়ি যাওয়ার পথে মেরিন ড্রাইভের পাশে দরিয়া নগরে সামনে পাহাড় ও পেছনে সমুদ্র রেখে মাঝখানের সৈকতে ধারণ করা হয় এবারের ইত্যাদি।

কক্সবাজারের ঐতিহ্যের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে নির্মাণ করা আলোকিত মঞ্চের সামনে হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে এবার ধারণ করা হয় গণমানুষের অনুষ্ঠান ইত্যাদি। দিন ও রাতে অনুষ্ঠান ধারণের যে প্রচলন ইত্যাদি শুরু করেছিল তার ধারাবাহিকতা দেখা যাবে এবারের পর্বেও।

আগামী ২৯ ডিসেম্বর বিটিভি এবং বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচারিত হবে এটি। এবারের পর্বে রয়েছে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত, দর্শনীয় ও পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থানগুলোর ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।

সম্প্রতি ৩ বার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জনকারী মাগুরার হালিমের ওপর রয়েছে একটি অনুকরণীয় প্রতিবেদন। ১৯৯৫ সালে যাকে প্রথম দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করেছিল ইত্যাদি।

এবারের ইত্যাদিতে মূল গান রয়েছে দুটি। যেহেতু ইত্যাদি এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে ধারণ করা হয় এবং সেই অঞ্চলের শিল্পীদের দিয়েই গান করানো হয়, সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ইত্যাদিতে গান গেয়েছেন কক্সবাজারের সৈকত শিল্পী জাহিদ এবং তার সঙ্গে গেয়েছেন চট্টগ্রামের সন্তান জনপ্রিয় শিল্পী রবি চৌধুরী। আর সাথে ইউকিলিলি বাজিয়েছেন ইমরান। শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন ইত্যাদির নিয়মিত শিল্প নির্দেশক মুকিমুল আনোয়ার মুকিম।

ইত্যাদিতে অংশগ্রহনকারী উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন এসএম মহসিন, সোলায়মান খোকা, মহিউদ্দিন বাহার, ডা. এজাজুল ইসলাম, জিয়াউল হাসান কিসলু, আব্দুল আজিজ, কাজী আসাদ, সুভাশিষ ভৌমিক, আব্দুল কাদের, আফজাল শরীফ, শবনম পারভীন, জিল্লুর রহমান, কামাল বায়েজিদ, বিলু বড়ুয়া, নিপু, রতন খান, আমিন আজাদ, আনোয়ার শাহী, তারেক স্বপন, জামিল, সজল, নিসা, জাহিদ চৌধুরী, সাজ্জাদ সাজু, ইমিলা, হাশিম মাসুদ, নজরুল ইসলাম, মনজুর আলমসহ অনেকে। পরিচালকের সহকারি হিসেবে ছিলেন যথারীতি রানা ও মামুন।

ইত্যাদির এই পর্ব একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার