বাথরুম, ছাদ কিছুই নেই হোটেল ভাড়া ২২ হাজার রুপি

বাথরুম, ছাদ কিছুই নেই হোটেল ভাড়া ২২ হাজার রুপি। দেয়াল নেই, নেই কোনো জানালা। আবার এসি, ফ্যান কিংবা রুম হিটারের ব্যবস্থাও নেই। আছে হাড় কাঁপানো বরফ পড়ার ভয়। আর এ হোটেলে থাকার জন্য প্রতি রাতের ভাড়া বাবদ ২২ হাজার রুপি গুনতে হবে আপনাকে।

Hotel

এত সমস্যা থাকার পরও পৃথিবীর অনেকেই খোলা আকাশের নিচে থাকার জন্য রুম বুক করছেন। হোটেলটি সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত ‘নাল স্টার্ন’। চারপাশে গ্রবান্ডেন পাহাড় ঘেরা এ হোটেলের ঘর গোটা বিশ্বের ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে।

Hotel

পাহাড়ের কোলে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটানোর সুযোগই এই হোটেলের মুখ্য আকর্ষণ। হোটেলের ঘরে রয়েছে একটি বিছানা, দুটি টেবিল ল্যাম্প। অতিথিদের সাহায্য করার জন্য একজন ওয়েটার। আর মনোরঞ্জনের জন্য থাকবে একটি টিভির খোল। যার মধ্যে থেকে মুখ বাড়িয়ে মাঝে মধ্যে আবহাওয়ার খবর জানিয়ে দেবেন ওই ওয়েটার।

Hotel

সকাল এবং রাতে ‘ঘরেই’ ব্রেকফাস্ট এবং ডিনার দিয়ে যাবেন তিনি। স্থানীয় কৃষকরাই অবশ্য ওয়েটারের কাজ করেন এখানে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জিনিস দিয়েই তৈরি হয় অতিথিদের খাবার। হোটেলের প্রতি রাতের ভাড়া ২২ হাজার রুপি।

Hotel

সুইজারল্যান্ডের দুই কনসেপ্ট আর্টিস্ট ফ্র্যাঙ্ক এবং প্যাট্রিক রিকলিনের ভাবনার ফসল এই হোটেল। এক হোটেল ব্যবসায়ীও তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। তবে এমন অদ্ভুত হোটেল অবশ্য আগেও তৈরি করেছে নাল স্টার্ন। এর আগে একটি নিউক্লিয়ার বাঙ্কারের নীচে ছিল এই হোটেল। সেই হোটেলটি বন্ধ হয়ে গিয়ে মিউজিয়ামে পরিণত হওয়ায় পাহাড়ে চূড়ায় এই নতুন হোটেল খোলা হয়।

Hotel

সুইস ভাষায় ‘নাল স্টার্ন’এর অর্থ জিরো স্টার। অর্থাৎ অন্যান্য ফাইভ স্টার বা সেভেন স্টার হোটেল যখন নিজেদের রেটিং বাড়িয়ে অতিথিদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে চায়, সেখানে স্টার রেটিংয়ের পেছনে না ছুটে অভিনব ভাবনাতেই অন্যদের পেছনে ফেলতে চায় ‘নাল স্টার্ন’।

Hotel

শাহরুখ থেকে রোনালদো, সবাই কেন এর সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত?

ফ্যান অথচ ফ্যান নয়, বরং বলা যায় সে নিজেই একজন সেলিব্রিটি। কিন্তু কী এমন করেছে সে যার জন্য বিশ্বের তাবড় তাবড় বিখ্যাত ব্যক্তিরা দেখা করছেন এর সঙ্গে?

বয়স মাত্র ১৪। নাম রশিদ সইফ আহমেদ। বাড়ি দুবাই। সম্প্রতি শাহরুখ খান থেকে রোনালদো, ইরিনা শায়েক থেকে জ্যাকি চ্যান— সবাই দুবাইয়ে পা রেখে তাঁদের ব্যস্ত শিডিউল ম্যানেজ করে দেখা করেছেন এই টিনএজারের সঙ্গে। ছবিও তুলেছেন সাড়ম্বরে।

কিন্তু কেন? হঠাৎ একে নিয়ে এত মাতামাতি কীসের? দুবাইয়ের শেখদের সম্পর্কে বলা হয় যে তাঁরা শুধু টাকা ফেলে পৃথিবীর যাবতীয় কিছু কিনতে চান। সেলিব্রিটিদের ‘সময়’ কেনা তো কিছু ব্যাপারই না। এই রশিদ হল দুবাইয়ের বিখ্যাত ব্যবসায়ী সইফ আহমেদ বেলহাসা-র ছেলে। তাই অনেকেই ভাবতে পারেন যে বাবার টাকার জোরেই ছেলের এমন খ্যাতি।

কিন্তু না, এই সেলিব্রিটিদের টাকা দিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে ছবি তোলেনি রশিদ। কিন্তু রশিদের বাড়িতে গিয়ে তার অনবদ্য স্নিকার কালেকশন দেখাটাই একটা বড় ব্যাপার। তার সঙ্গে রয়েছে রশিদের পোষা বাঘ এবং শিম্পাজির সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ। তবে এর জন্য সেলিব্রিটিদেরও  আগে থেকে রশিদের এজেন্টকে ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়।

রশিদের স্নিকার কালেকশনে রয়েছে ৭০ জোড়া এয়ার জর্ডনস স্নিকার যা নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি স্নিকারগুলির মধ্যে অন্যতম। এর জন্য অবশ্যই খরচ করতে হয়েছে প্রভূত পরিমাণ টাকা। রশিদ কিন্তু এই বয়সেই নিজেই একজন উদ্যোগপতি। স্কুলে পড়ার পাশাপাশি একটি ফ্যাশন লাইনের অংশীদার সে।-এবেলা

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার