বাংলাদেশের ২০জন রাষ্ট্রপতির নাম ও তাদের মেয়াদাকাল, সবার জানা দরকার !!

বাংলাদেশের ২০জন রাষ্ট্রপতির নাম ও তাদের মেয়াদাকাল, সবার জানা দরকার !!
আজকের বিষয় বাংলাদেশের ২০জন রাষ্ট্রপতির নাম ও তাদের মেয়াদাকাল কতো । চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক।রাষ্ট্রপতির নাম ও মেয়াদাকাল ?

১। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানমেয়াদ: ১১ইএপ্রিল ১৯৭১ইং থেকে ১২ই জানুয়ারী ১৯৭২ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ) ২। সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)মেয়াদ: ১১ ই এপ্রিল ১৯৭১ইং হতে ১০ই জানুয়ারী ১৯৭২ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ)

৩। বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী মেয়াদ: ১২ইং জানুয়ারী ১৯৭২ ইং থেকে ২৪শে ডিসেম্বর ১৯৭৩ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ)
৪। মোহম্মদ মোহম্মদ উল্লাহ ।মেয়াদ: ২৪শে ডিসেম্বর ১৯৭৩ইং থেকে ২৫শে জানুয়ারী ১৯৭৫ ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ)
৫। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানমেয়াদ: ২৫শে জানুয়ারী ১৯৭৫ইং থেকে ১৫ই আগষ্ট ১৯৭৫ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ)
৬। খন্দকার মোশতাক আহম্মদমেয়াদ: ১৫ ই আগষ্ট ১৯৭৫ইং থেকে ৬ই নভেম্বর ১৯৭৫ ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ)
৭। বিচারপতি আবু সাদাত মোহম্মদ সায়েম ।মেয়াদ: ৬ই নভেম্বর ১৯৭৫ইং থেকে ২১শে এপ্রিল ১৯৭৭ইং পর্যন্ত।
৮। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ।মেয়াদ: ২১শে এপ্রিল ১৯৭৭ ইং থেকে ৩০শে মে ১৯৮১ইং পর্যন্ত।(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)
৯। বিারপতি আব্দুস সাত্তার (অস্থায়ী)মেয়াদ: ৩০শে মে ১৯৮১ইং থেকে ২৪শে মার্চ ১৯৮২ইং পর্যন্ত ।(বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)
১০। হুসেইন মোহাম্মাদ এরশাদ ।মেয়াদ: ২৪শে মার্চ ১৯৮২ইং থেকে ২৭শে মার্চ ১৯৮২ ইং পর্যন্ত। (জাতীয় পার্টি)
১১। বিচারপতি এ.এফ.এম আহসান উদ্দিন চৌধুরীমেয়াদ: ২৭শে মার্চ ১৯৮২ ইং থেকে ১১ই ডিসেম্বর ১৯৮৩ইং পর্যন্ত (জাতীয় পার্টি)
১২। হুসেইন মোহাম্মাদ এরশাদ ।মেয়াদ: ১১ই ডিসেম্বর ১৯৮৩ইং থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ ইং পর্যন্ত (জাতীয় পার্টি)
১৩। বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ (অস্থায়ী)মেয়াদ: ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ ইং থেকে ১০ই অক্টোবর ১৯৯১ ইং পর্যন্ত (নির্দলীয়,তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান)
১৪। বিচারপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস মেয়াদ: ১০ই অক্টোবর ১৯৯১ ইং থেকে ৯ই অক্টোবর ১৯৯৬ইং পর্যন্ত (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)
১৫। বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মদ । মেয়াদ: ৯ই অক্টোবর ১৯৯৬ইং থেকে ১৪ই ডিসেম্বর ২০০১ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ কর্তৃক নির্বাচিত)
১৬। অধ্যাপক এ. কিউ. এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী । মেয়াদ: ১৪ই ডিসেম্বর ২০০১ইং থেকে ২১শে জুন ২০০২ ইং পর্যন্ত (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)
১৭। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ।মেয়াদ: ২১শে জুন ২০০২ ইং থেকে ৬ই সেপ্টেম্বর ২০০২ পর্যন্ত (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)১৮। অধ্যাপক ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ ।মেয়াদ: ৬ই সেপ্টেম্বর ২০০২ থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯ ইং পর্যন্ত (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)
১৯। অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান ।মেয়াদ: ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০০৯ ইং থেকে ২০ মার্চ ২০১৩ ইং পর্যন্ত (আওয়ামী লীগ, মাহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সে বছরের ২০ মার্চ বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিটে সিঙ্গাপুরের এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন )
২০। এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ মেয়াদ: ২০ মার্চ ২০১৩ইং থেকে (আওয়ামী লীগ)

অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে যা করবেন-জেনে নিন

আমাদের আশেপাশে এমন অনেকেই আছেন যাদের অল্পবয়সে চুল পাকা শুরু হয়েছে। সাধারণত মাথার চামড়ায় পর্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেল এর অভাবে চুল পাকতে পারে। আর তরুণ বয়সে চুল পাকা অনেক বিব্রতকর একটি ব্যাপার। অল্প বয়সে চুল পাকার ফলে অনেকেই সবসময় অস্বস্তিতে ভোগেন। কোন সামাজিক বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতেও দ্বিধাবোধ করেন। যার থেকে আত্মবিশ্বাসের অভাব এমন কী তীব্র হতাশা সৃষ্টি হওয়ার মত ঘটনাও ঘটতে পারে।
যদিও সাময়িক সমাধান হিসেবে অনেকে চুলে কলপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এতে চুল একেবারে কালো হয় না। তার পাশাপাশি কলপের উপাদান নিম্নমানের হলে তা মাথার চামড়ার ক্ষতি করতে পারে। সুতরাং সাময়িক সমাধানের দিকে না গিয়ে ঘরে বসেই সহজে অকালে চুল পাকা থেকে রেহাই পেতে পারেন। প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে থাকা নানা উপাদান দিয়ে এই চিকিৎসার উপকরণ তৈরি করা সম্ভব। এই উপকরণ ব্যবহার যেমন অর্থসাশ্রয়ী ঠিক তেমনি নিরাপদ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত।
পেঁয়াজ বাটা:
পেঁয়াজ বাটা চুল পাকা রোধের অত্যন্ত কার্যকরী অস্ত্র। পেঁয়াজ ভালোমতো বেটে নিয়ে প্রতিদিন কিছুক্ষণ মাথার চামড়ায় ও চুলে ম্যাসাজ করুন এবং শুকিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই পাকাচুল কালো হয়ে যাবে। তবে দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অবশ্যই প্রতিদিন একবার করে এই উপায় অনুসরণ করতে হবে।

নারিকেল তেল এবং লেবুর রস:
চুলের যত্নে নারিকেল তেলের কোন জুড়ি নেই। পাকা চুলের হাত থেকে রেহাই পেতে হলে প্রতিদিন ৪ চা চামচ নারিকেল তেলের সাথে আড়াই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে উক্ত মিশ্রণ চুলের গোরায় এবং মাথার চামড়ায় লাগান। দুই সপ্তাহের মধ্যেই পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। তার পাশাপাশি আপনার মাথার চামড়া সুস্থ থাকবে, খুশকি হবে না এবং চুলও হবে উজ্জ্বল।
আমলকী ও লেবুর রস মিশ্রণ:
চামড়ার ইনফেকশন এবং মাথার চামড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগান দেয়ার ক্ষেত্রে এই দুটো ফলের জুড়ি নেই। তাই অকালে চুল পাকা রোধের জন্য আমলকীর গুঁড়া সাথে লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে মাথার চামড়ায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
গাজরের রস:
চুলের যত্নে গাজর বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। গাজরের সাথে পানি, চিনি মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। গাজরের যে জুস পাওয়া যাবে, সেটি নিয়মিত পান করুন। প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস করে গাজরের রস পান করলেই আপনার পাকা চুলের প্রতিকার পাওয়া শুরু করবেন। শুধু চুল নয়, সেইসাথে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতেও এই গাজরের জুস সাহায্য করবে।

পলিথিনের ঝুপড়িতে শত কোটি টাকার মালিক

মিয়ানমারের মংডু থানার ফকিরাবাজার গ্রামের বিত্তশালী রোহিঙ্গা দিল মোহাম্মদ (৬০)। মুসলিম অধ্যুষিত ওই বাজারে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি। ফকিরাবাজারে তার চারটি স্বর্ণের দোকান ছিল। চাষাবাদের জমি ছিল ৮০ কানি। গরু-মহিষ-ছাগল ছিল অগণিত। ১০-১২ জন কৃষক সারা বছর কাজ করতেন। এলাকার সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন বাড়িতে স্ত্রী-পরিজন নিয়ে ছয়জনসহ ১৮-২০ জনের সংসার সুখেই কাটছিল। মিয়ানমার জান্তারা এক দিনেই আগুন দিয়ে নিঃস্ব করে ফেলেছে। কোটিপতি থেকে মুহূর্তেই হয়ে গেলেন পথের ফকির। এখন কুতুপালংয়ের ঝুপড়িতে ত্রাণের জন্য কাঙ্গালের মতো চেয়ে থাকতে হচ্ছে।

আরাকান রাজ্যের সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে সব দোকান, বাড়িসহ সহায়সম্পত্তি ফেলে চলে আসেন বাংলাদেশে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় চোখে পড়ে এক ভদ্রলোক ছোট শিশুদের সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রথমে দেখে এই প্রতিবেদক একটু ভাবান্বিত হন। তারপর কাছে গিয়ে তার কাছ থেকে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, এলাকায় সম্পদশালী ও তৎকালীন হুক্কাট্টা (চেয়ারম্যান) হিসেবে আইন প্রয়োগকারীরাসহ রাখাইনের লোকজন তাকে সমীহ করে চলতেন। প্রশাসনের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে তার মেলামেশা ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা আমাকে কথাও দিয়েছিল এখানে নির্ভয়ে থাকা যাবে, কেউ কিছু করবে না; কিন্তু কথায় আর কাজে মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৫ দিন আগে একরাতে মিয়ানমার সেনারা আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। মনে করছিলাম হয়তো তারা কোনো বিষয় নিয়ে আলাপ করতে এসেছে।

এমনটি মনে করে আমি বাড়ির লোকজনদের চা-নাশতা তৈরি করতে বলি। এ ফাঁকে রাখাইনের সশস্ত্র যুবকেরা আমার শয়নকক্ষে ঢুকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করতে থাকে। একপর্যায়ে আমার বুকে বন্দুক তাক বলে, এ মুহূর্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যা, নইলে সবাইকে পুড়ে মরতে হবে। এ সময় আমার হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হওয়ার মতো অবস্থা। প্রাণ বাঁচাতে এক কাপড়ে সবাইকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই মিয়ানমার সেনারা আমার দ্বিতল বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই আগুনের আলোতে আমরা অনেক দূরে চলে এসেছি। কথাগুলো বলতে বলতে তার দু’চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছিল। তিনি আরো জানান, এর আগে হায়েনার দল আমার স্বর্ণের দোকান লুট করে জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা আমার মোটেই জানা ছিল না। আসার সময় পাড়ার প্রতিবেশীরা আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লুটপাট ও জ্বালিয়ে দেয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। ওই দোকানগুলোতে প্রায় শত কোটি টাকার (কিয়াতের) স্বর্ণালঙ্কার ছিল বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, কুতুপালং ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছি গত বৃহস্পতিবার। আমার গ্রামের লোকজন থাকার জন্য পলিথিনের একটা ঘর নির্মাণ করে দেয়। সে ঘরে অবস্থান নিলেও আমার অন্তর আত্মা বারবার কেঁপে উঠছিল সেই মিয়ানমারের সেনাদের বর্বরোচিত আচারণ ও চোখের সামনে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার দৃশ্যটি। কথা প্রসঙ্গে জানতে চাইÑ গরু, মহিষ পাওয়া যাবে কি না? জবাবে দিল মোহাম্মদ জানান, যেখানে কোটি কোটি টাকার সম্পদ লুট হয়ে গেছে সেখানে গরু-ছাগলের হিসাব করে লাভ কী? আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে যত দিন থাকতে হয় এখানেই থাকব। তিনি জানান, বাংলাদেশের ওপর আমার অনেক আস্থা আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকালে এখানকার অনেক বড় বড় লোককে আমার বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছি। খাওয়াদাওয়া করিয়েছি।

এমনকি অনেকেই দীর্ঘ সময় রাতযাপনও করেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম মরহুম শমশের আলম চৌধুরী, মরহুম বিকম আলী আহমদ, মরহুম ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী এমপি, চট্টগ্রামের লে. কর্নেল হারুন অর রশিদসহ আরো অনেক নাম না জানা লোকজন। তাদের স্ত্রী, পুত্র অথবা স্বজনদের কেউ যদি আমার পরিচয় জানতে পারেন বা আমি যে কুতুপালং ক্যাম্পের আশ্রয়ে রয়েছি জানতে পারেন, তাহলে নিশ্চয়ই তারা আমার প্রতি সহানুভূতি জানাতে এগিয়ে আসবেন।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার