নামাজে মনযোগী হবার একটি বিশেষ পদ্ধতি

সালাতে কোনভাবেই মনোযোগ স্থির থাকে না”

– আমাদের অনেক ভাইবোনদের এই কমন সমস্যাটি হয়। হয়তো এই কারণেই অনেকের সালাত আদায় করতে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম সময় লাগে। কিভাবে সালাতে মনোযোগ বাড়াতে পারি আমরা?
.
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন – “তোমরা সালাতে মৃত্যুকে স্মরণ করো। কারণ যেই ব্যক্তি সালাতে মৃত্যুকে স্মরণ করবে, সে সঠিকভাবে সালাত আদায় করতে বাধ্য। এবং সেই ব্যক্তির মতো সালাত আদায় করো, যে মনে করে – এই সালাতের পরে আর কোন ওয়াক্ত সালাত আদায় করার ভাগ্য তাঁর হবে না।”
.
[আল-সিলসিলাহ আস-সহীহঃ হাদীস ১৪২১। আস-সুয়ূতী থেকে বর্ণিত, হাফিজ ইবনে হাযার আল আসক্বালানী রহঃ এই হাদিসটি ‘হাসান’ বলেছেন]
.
.
আবু আইয়ুব আল আনসারী (রাদিআল্লাহু আনহু) কে উপদেশ দেয়ার সময়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন – “যখন তুমি সালাতে দাঁড়াবে, তখন তুমি বিদায়ী সালাত (এমনভাবে যাতে এই সালাত-ই জীবনের শেষ সালাত) আদায় করবে।”
.
[মুসনাদে আহমদঃ খন্ড ৫, হাদীস ৪১২। সহীহ আল-জাম’ঈঃ হাদীস ৭৪২]
______
.
হে মুসলিম ভাইবোনেরা,
সালাত আদায়ের সময় আমাদের এমনভাবে মন স্থির করা চাই, যাতে আমাদের মনে হয় – জান্নাত আমাদের ডান পাশে, জাহান্নাম আমাদের বামে। পুলসিরাত আমাদের পায়ের নিচে, মাথার উপরে পাহাড়সম পাপরাশি ভেঙে পড়বার অপেক্ষায়। আর মালাকুল মাউত আমাদের পেছনে রূহ টেনে নেয়ার অপেক্ষায় ঠায় দাঁড়িয়ে।
.
এই সালাত-ই আমাদের শেষ সৎ কাজ। সালাত শেষেই পৃথিবীর সবচে’ বড় সত্যের মুখোমুখি হতে হবে আমাদের; “মৃত্যু”। আমাদের আমলনামা বন্ধ হয়ে যাবে। যাবতীয় হাহাকার কিংবা আফসোস কোন কাজে আসবে না।
.
ক্ষণস্থায়ী এই পৃথিবীতে এই সেই শেষ মুহূর্ত, এই সেই শেষ ক্ষণ। এবং এই সালাত-ই আমাদের অসীম সময়ের জন্য নির্ধারিত আবাস জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ফয়সালা করে দেবে!
.
ওয়াল্লাহী, আমরা কি তখন শেষ সালাতেও তাড়াহুড়ো করবো?
.
আল্লাহ (সুব’হানাহু ওয়া তা’আলা) এর সামনে জীবনের শেষ সিজদাহ কি আমরা দীর্ঘ এবং আবেগঘন করে তুলব না?
.
শেষের শুরুটা ভালো করার জন্য মনকে স্থির করব না আমরা?
.
‘যে হেদায়েতের দিকে আহবান করে, এ হেদায়েতের যত অনুসরণকারী হবে, তাদের প্রতিদানের সমতুল্য প্রতিদান সে পাবে।’
(মুসলিম, মিশকাত হা/১৫৮)।

.জাযাকাল্লাহ খায়রান।
শেয়ার করুন, বন্ধুদের সাথে ইন শা আল্লাহ।

কবরের পাথরে কিংবা সাইনবোর্ডে কিছু লিখে রাখা প্রসঙ্গে, ইসলাম কি বলে ??
আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে প্রচলন রয়েছে, মৃত ব্যক্তির কবরের পাথরে কিংবা সাইনবোর্ডে খোদাই করে বিভিন্ন পংক্তি, আয়াত, দোয়া ও বাণী লিখে রাখার।

আবার ক্ষেত্রবিশেষ কবর সনাক্তের জন্য কবরে নাম-ঠিকানাও লিখে রাখতে দেখা যায়। বিষয়গুলো নিয়ে সমাজে নানা মত প্রচলিত।

কাজটি বহুল প্রচলিত হলেও মৃত ব্যক্তির কবরের ওপর বা পাশে কোরআনের আয়াত, দোয়া, কবিতা কিংবা প্রশংসামূলক বাক্য লিখে রাখা নিষেধ।

হাদিস শরিফে কবরে লিখতে নিষেধ করা হয়েছে। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) কবর পাকা করা, তার ওপর লেখা, কবরের ওপর ঘর নির্মাণ করা এবং তা পদদলিত করতে নিষেধ করেছেন।’ -জামে তিরমিজি

অবশ্য কখনও কবর সনাক্ত করার প্রয়োজন হলে মৃতের নাম ও সংক্ষিপ্ত পরিচয় লিখে রাখার অবকাশ আছে।

সাহাবি হজরত উসমান বিন মাযউন (রা.)-এর কবরের পাশে এ উদ্দেশ্যেই নবী করিম (সা.) পাথর রেখেছিলেন এমন বর্ণনা হাদিস শরিফে এসেছে। -সুনানে আবু দাউদ

এ বর্ণনার আলোকে ইসলামি স্কলাররা বলেছেন, কবর পরিচয়ের স্বার্থে কবরের পাশে মৃতের নাম ও সংক্ষিপ্ত পরিচয় লিখে রাখার অনুমতি রয়েছে।

১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি, জেনে রাখা উচিৎ প্রত্যেক মুসলিমের!!
১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি, জেনে রাখা উচিৎ প্রত্যেক মুসলিমের!!- না জেনে বুঝে এসব সমাজে প্রচলিত বাক্য আমরা প্রায়ই বলে ফেলি , জেনে নিন সেগুলো …

১. আল্লাহর সাথে হিল্লাও লাগে।

২. তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।

( ফুল চন্দন হিন্দুদের পুজা করার সামগ্রী)

৩. কস্ট করলে কেস্ট মেলে

( কেস্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জণ্য কস্ট করছেন?)

৪. মহভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?

( মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)

৫. মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

( এটি ইসলামের নামে কটূক্তি করা)

৬. লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে, লক্ষী স্ত্রী বলা।

( হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)

৭. কোন ঔষধকে জীবন রক্ষকারী বলা।

( জন্ম- মৃত্য

একমাত্র আল্লাহর হাতে)

৮. দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।

( এর অর্থ রাজাদের রাজাধীকার)

৯. নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলশি পাতা বলা।

( এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)

১০. ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাঊস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।

( এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)

১১. ইয়া আলি, ইয়া রাসুল (সাঃ) বলে ডাকা এবং সাহায্য প্রার্থনা করা (আল্লাহ ছাড়া পৃথীবির কাউকে ডাকা শির্ক)

১২. বিসমিল্লায় গলদ বলা।

( এটি সরাসরি কুফরি)

১৩. মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়া বলা।

( কুফরি বাক্য, সাবধান। )

১৪. মধ্যযুগি বর্বরতা বলা।

( মধ্যযুগ ইসলামের সর্ণযুগ)

১৫. মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।

( ইসলাম ধংসকারী মতবাদ)

১৬. নামাজ না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা।

( ইসলাম থেকে বের করার মূলনিতী। )

এই গুলি অজ্ঞতার কারনে হয়ে থাকে। হে মুসলিম উম্মাহ আসুন আমরা নিজে অতপর নিজের পরিবারকে সচেতন করি, তাদের মাঝে এই গুলি প্রচার করি, আর কত দিন এই অজ্ঞতায় পড়ে থাকবো?

আসুন না একজন আরেকজন কে সচেতন করার জন্য উৎসাহ দেই,
এই বাক্য গুলি আপনি যে কোন ভাবে প্রচার করুন।

আপনার একটি শেয়ারে কত মানুষ এই কুফরি বাক্য জানতে পারবে তা কি ভাবা যায়?
জাজাকাল্লাহ খায়ের। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার