তৈরি করুন কাঁচা মরিচের আচার

অনেকেই আছেন যারা ঝাল খেতে খুব ভালোবাসেন। কাঁচা মরিচ ছাড়া অনেকেই ভাত খেয়ে তৃপ্তি পান না। যারা ঝাল প্রেমী তারা কাঁচা মরিচ দিয়ে আচার বানিয়ে নিতে পারেন। বেশ ঝাল ও হাল্কা টক স্বাদের এই আচার খাবারের তৃপ্তি বাড়িয়ে দিবে বহুগুণে

উপকরণ :

– কাঁচামরিচ ১০০ গ্রাম
– সরিষা বাটা- দেড় টেবিল চামচ
– ধনিয়া গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ
– পাঁচফোড়ন মেথি সহ – ২ টেবিল চামচ
– আদা বাটা – ১ চা চামচ
– রসুন বাটা – ২ চা চামচ
– হলুদ গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
– মরিচ গুঁড়া – ২ চা চামচ
– চিনি- ১/২ কাপ
– সিরকা/ভিনেগার- ১/২ কাপ
– রসুন কোয়া- ১৫ থেকে ২০ টি
– খাঁটি সরিষার তেল – ২ কাপ
– লবণ পরিমাণ মত

প্রণালি :

প্রথমে মরিচ ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এবার ডুমো ডুমো করে কেটে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ৩/৪ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। পাঁচফোড়ন ভালো করে টেলে নিয়ে গুঁড়া করে নিতে হবে। এবার তেল দিয়ে আদা, রসুন ও হলুদ, মরিচ, ধনে গুঁড়া দিন। সামান্য পানি দিয়ে মশলা কষান। কষানো হলে চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে মিশিয়ে দিন। সিরকা দিন।

এরপর হালকা ভাবে জ্বাল দিতে হবে। বেশি নাড়াচাড়া করলে কাচা মরিচ ভেঙ্গে গুঁড়ো হয়ে যেতে পারে। পাঁচফোড়ন গুঁড়া দিয়ে দিন। সব মসলা গায়ে গায়ে মাখানো হলে ও তেল ভেসে উঠলে নামিয়ে ফেলতে হবে। আচার বোতলে ভরতে হবে। আচারের ওপর পর্যন্ত সরিষার তেল থাকতে হবে নাহলে ছত্রাক পরতে পারে। মাঝেমধ্যে রোদে দিতে পারলে ভালো। ভাত, পোলাও কিংবা খিচুড়ির সাথে পরিবেশন করুন মজাদার কাঁচা মরিচের আচার।

খালি পেটে খাবেন না যে ১০ খাবার

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার শরীরের জন্য যেমন জরুরি, তেমনি খাবার খাওয়ার সময়ও সঠিক হওয়া জরুরি। সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কিছু খাবার রয়েছে যা খালি পেটে খাওয়া একদম ঠিক নয়। এই খাবারগুলো এসিড তৈরি করে এবং অন্ত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এ খাবারগুলোর কথা।

১. সোডা –

সোডার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ কাবোর্নেটেট এসিড। খালি পেটে সোডা খাওয়া হলে এই এসিড স্বাস্থ্যের সমস্যা তৈরি করে এবং বমিবমি ভাব তৈরি করে।

২. টমেটো –

টমোটো খালি পেটে খাওয়া হলে এর মধ্যে বিদ্যমান এসিড গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল এসিডের সাথে মিশে পাকস্থলির মধ্যে বিক্রিয়া করে এক ধরনের অদ্রবণীয় জেল তৈরি করে; যা পাকস্থলিতে পাথর হওয়ার কারণ হতে পারে।

৩. ওষুধ –

কিছু কিছু গ্যাসট্রিকের ওষুধ খাওয়ার আগে খেতে বলা হয়। তবে অধিকাংশ ওষুধ ভরা পেটে খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। যখন খালি পেটে ওষুধ খাওয়া হয় এটা পাকস্থলিতে অস্বস্থিকর অবস্থার তৈরি করে।

৪. মদ্যপান –

মদ্যপান শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আর খালি পেটে মদ্যপান আরো ক্ষতিকর। মদের মধ্যে যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলো অন্ত্রের জ্বালাভাব তৈরি করে।

৫. ঝাল জাতীয় খাবার –

আমরা অনেকেই ঝাল জাতীয় খাবার খেতে ভালোবাসি, তবে খালি পেটে ঝাল জাতীয় খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এর ফলে এসিডিক বিক্রিয়া হয়ে পেট জ্বালাভাব তৈরি হয়।

৬. কফি –

খালি পেটে কফি খাওয়া খুবই ক্ষতিকর। কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন পাকস্থলির জন্য ভালো নয়। তাই খেতে হলে আগে অন্তত একগ্লাস পানি খেয়ে নিন।

৭. চা –

চা-ও কফির মতো, খালি পেটে খাওয়া ঠিক নয়। চায়ের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় এসিড যা পাকস্থলির আবরণকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

৮. দই –

দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান স্বাস্থ্যকর। তবে যদি এটা খালি পেটে খাওয়া হয় তবে স্বাস্ব্যকর নয়। দইয়ে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়া পাকস্থলির আবরণের রসের সাথে মিশে পেটকে খারাপ করতে পারে।

৯. কলা –

খালি পেটে কলা খাওয়া হঠাৎ করে শরীরে ম্যাগনেসিয়াম বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে রক্তে ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের ভারস্যাম্য নষ্ট করে। তাই কলা খালি পেটে না খাওয়ার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।

১০. মিষ্টি আলু –

আপনি কি জানেন মিষ্টি আলুর মধ্যে রয়েছে ট্যানিন এবং পেকটিন? এটা বেশি পরিমাণে এসিড নিঃসরণ করে পাকস্থলির দেয়ালকে সংকুচিত করে। এর ফলে বুক জ্বালাপোড়া হয়।

 

কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবে

কোরআনের যে দশটি সূরা আপনাকে দশটি বিপদ থেকে বাঁচাবেআল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন সময় নানা বিপদে ফেলে পরীক্ষা করে থাকে। শুধু ইহকালে নয় আল্লাহ মানুষকে পরকালেও পাপের শাস্তি দেবেন। ইহকালের বিপদ কিংবা পরকালের শাস্তির হাত থেকে তৎক্ষণাত রক্ষা পাওয়ার উপায় বলে দেয়া আছে আল কোরআনে। আল কোরআনের এমন দশটি সূরা আছে যেগুলো বিপদে পড়ার পর পাঠ করলে আল্লাহর রহমতে আপনি রক্ষা পাবেন। সূরা গুলো নিম্নরূপ-
১) সূরা ফতিহা আল্লাহর গজব হতে রক্ষা করবে।

(২) সূরা ইয়াসীন কিয়ামতের দিন পিপার্সাত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

(৩) সূরা দুখান কিয়ামতের দিনের ভয়াল অবস্থা হতে রক্ষা করবে।

(৪) সূরা ওয়াকি’আ দরিদ্রতা হতে রক্ষা করবে।

(৫) সূরা মূলক কবরের আযাব হতে রক্ষা করবে।

(৬) সূরা কাওসার শত্রুর অনিষ্ট হতে রক্ষা করবে।

(৭) সূরা কাফিরুন মৃত্যুর সময় কুফরী হতে রক্ষা করবে।

(৮) সূরা ইখলাস মুনাফিকী হতে রক্ষা করবে।

(৯) সূরা ফালাক হিংসুকের হিংসার হতে রক্ষা করবে।

(১০) সূরা নাস যাবতীয় ওয়াসাওয়াসা হতে রক্ষা করবে।

এক আল্লাহর সত্য বানী আল কোরআনই পারে সকল মুসলিমদের রক্ষা করতে। সকলে আমল গুলো করার চেষ্টা করুন, আল্লাহ্‌ আপনাকে রক্ষা করবেন ইনশাল্লাহ্।

যে দোয়া পাঠ করলে ফেরেশতারা সওয়াব লেখার প্রতিযোগিতা করে

সালাত হল ইসলাম ধর্মের প্রধান ইবাদত। তাই তো মুসলমানেরা প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত (নির্দিষ্ট নামাযের নির্দিষ্ট সময়) নামাজ আদায় করে সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করতে মরিয়া হয়ে মনোযোগের সহিত ইবাদত করে।

নামাজ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক বা ফরজ। নামায ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। এই নামাজের মধ্যে এমন একটি দোয়া রয়েছে যেটা পাঠ করলে ফেরেশতারা ওই পাঠকারীর জন্য সওয়াব লেখার প্রতিযোগিতা শুরু করে।

তাহলে নিচের হাদিসটি পরুন এবং দুয়াটি মুখুস্থ করে আমল করুন:

আবূদুল্লাহ্ ইবনু মাসলামা (রহঃ) রিফা’আ ইবনু রিফি’ যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এবার আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলাম।

তিনি যখন রুকূ’ থেকে মাথা উঠিয়ে ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদা’ বললেন, তখন পিছন থেকে এক সাহাবী ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, হামদান কাসিরান তাইয়িবান মুবারাকান ফিহ’ বললেন। সালাত (নামায/নামাজ) শেষ করে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কে এরূপ বলেছিল? সে সাহাবী বললেন, আমি। তখন তিনি বললেনঃ আমি দেখলাম ত্রিশ জনের বেশী ফিরিশতা এর সাওয়াব কে আগে লিখবেন তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছেন। (সহিহ বুখারি:৭৬৩)

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার