টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ নামতে যাচ্ছে সমুদ্রে, (ভিডিও সহ)

টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ নামতে যাচ্ছে সমুদ্রে, দেখুন তার ভিডিওঃ টাইটানিক ছবির বদৌলতে টাইটানিকের নাম জানে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া দায়। এক সময় ছিলো যখন টাইটানিক ছিল একমাত্র পৃথিবীর বড় জাহাজ। কিন্তু সেই দিন শেষ। এখন টাইটানিকের চেয়ে বড় জাহাজের অভাব নেই। কিন্তু তাই বলে টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় জাহাজ? কল্পনা করাও কষ্টকর।

দীর্ঘ একটা সময় ধরে সবচেয়ে বড় জাহাজের তকমাটা ছিলো টাইটানিকের কাধে। এবার আর তা থাকছে না। কারন তারথেকে ঢের বড় জাহার নামতে যাচ্ছে সমুদ্রে।

প্রযুক্তি যত অগ্রগতি হচ্ছে মানুষ তত আধুনিক আর বড় বড় জাহাজ তৈরি করে চলেছে। এক সময় যাা ছিলো মানুষের কাছে কল্পনা আজ তাই বাস্তব। কিছু দিন আগেও টাইটানিক ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ। কিন্তু এখন তার চেয়ে বড় জাহাজের কোন অভাব নেই। কিন্তু এবার টাইটানিকের চেয়ে ২০ গুন বড় জাহাজ নামতে যাচ্ছে পানিতে। দেখুন এর ভিতরের সুবিধাদি

ভিডিওটি পোষ্টের একদম নিচে  দেয়া  আছে। দেখতে হলে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

বলা যায়, ভাসমান মহানগরী হারমনি অব দ্য সিস। বিশ্বে এ পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে বড় ও ভারী জাহাজ এটি। ১৭ মে (মঙ্গলবার) ইংল্যান্ডের সাউথহ্যাম্পটন বন্দর থেকে চোখ ধাঁধানো হারমনি অব দ্য সিস-এর উদ্বোধন করা হয়। হারমনি অব দ্য সিস যেনো সমুদ্রের মধ্যে আরেক পৃথিবী। ভূমধ্যসাগর বা ক্যারিবিয়ানে ছুটিছ‍াটায় সর্বোচ্চ বিনোদন দিতে জাহাজটি অ‍ায়োজনের কোনো কমতি রাখেনি। এক হাজার একশো ৮৭ ফুট লম্বা ও দুইশো ৩০ ফুট উচ্চতার জাহাজটি ছয় হাজার সাতশো ৮০ জন যাত্রী বহন করতে পারবে।

জাহাজটির নির্মাণকাজ শুরু হয় এখন থেকে ৩২ মাস আগে ২০১৩ সালে। নির্মাণে কাজ করেছেন মোট দুই হাজার পাঁচশো শ্রমিক। রয়েল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল নৌবহরের ২৫তম জাহাজ হারমনি অব দ্য সিস নির্মাণখাতে ব্যয় হয়েছে সাতশো মিলিয়ন পাউন্ড।

এর বিশেষত্বের দিক থেকে প্রথমে বলতে হবে যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পর্কে। বিশ্বের সর্বাধিক যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ভ্রমণ জাহাজ এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জেট এয়ারবাস A380 -তে সিটের সংখ্যা পাঁচশো ২৫টি। তুলনা দিতে গেলে বলা যায়, হারমনি অব দ্য সিস তার চেয়েও দশগুণ বেশি যাত্রী বহন করতে পারবে। দ্রুততার দিক থেকে জাহাজটি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে ছোটে।

এতে রয়েছে মোট ১৮টি ডেক। এর মধ্যে ১৬টি ডেকে রয়েছে দুই হাজার সাতশো ৪৭টি কেবিন। যা কিনা বর্তমানে যেকোনো জাহাজের চেয়ে অনেক বেশি। এটি এত বড় যে যাত্রীরা যাতে হারিয়ে না যান সেজন্য তাদের জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ব্যবহার করতে হবে।

দু’টি তলা নিয়ে বিস্তৃত জাহাজের সিগনেচার রুমটি রয়েল লফট স্যুট বলে পরিচিত। রয়েল লফট স্যুটের প্রথম তলায় রয়েছে এক হাজার ছয়শো স্কয়ার ফুটের একটি লিভিং স্পেস। অন্যদিকে আটশো ৭৪ স্কয়ার ফুটের দ্বিতীয় তলাটি শহরের বড় কোনো অ্যাপার্টমেন্টের চেয়েও অনেক বড়।

হারমনি অব দ্য সিস যেহেতু একটি ভ্রমণ জাহাজ সেহেতু এখানে ছুটি কাটাতে আসা যাত্রীদের আনন্দযাপনে যেনো এতটুকু অসুবিধ‍া না হয়

ওজন নিয়ে ভাবছেন? ১ চামচ জিরায় কমবে ১৫ কেজি ওজন!যে ভাবে খাবেন জানতে ছবির উপর ক্লিক করুন

জিরা, ইংরেজিতে যা কিউমিন নামে পরিচিত। আমাদের দেশে ও অনান্য দেশে যা মসলা হিসেবেই রান্নার কাজে ব্যবহার হয়। তবে আপনি জেনে অবাক হবেন এই মসলায় ওজন কমানোর জন্য ইউনিক পাওয়ার আছে। জনপ্রিয় বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইট জানিয়েছে, প্রতিদিন জিরা খাওয়ার মাধ্যমে মাত্র ২০ দিনে পেটের মেদ কমানো সম্ভব।

এ ছাড়াও প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জিরা রাখলে পুরো শরীর থেকে মেদ রিডিউস করা সম্ভব।

বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্যনুযায়ী, ৮৮জন নারীর উপর করা একটি রিসার্চে প্রমাণিত হয়েছে যে, জিরা মেদ কমানোর জন্য খুবই কার্যকর। জিরা শরীরের মেটাবলিজম র‍্যাট বাড়িয়ে দ্রুত ক্যালোরি বার্ন করে সাহায্য করে।মেদ কমানো ছাড়াও জিরার রয়েছে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারিতা। এটা শরীরের খারাপ কলেস্টোরল কমায়, হার্ট আট্যাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, শ্রীরের ইমিউনিটি দ্বিগুন করে, এনামিয়া রোধ করে ও গ্যাসের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

জনপ্রিয় ইংরেজি ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এ ওজন কমাতে জিরার বিভিন্ন ব্যবহার সম্পর্কে বলা হয়। জিরা মাত্র ১৫ দিনে পেটের মেদ কমাতে খুবই কার্যকর পদ্ধতি। খাওয়া বা পানীয় হিসেবে প্রতিদিন জিরার গুঁড়া খেলে দেখতে পাবেন এর যাদুকরী ফলাফল।

জেনে নিন ওজন কমাতে কীভাবে জিরা ব্যবহার করবেন।

ওজন কমাতে জিরা পানীয় :

২ টেবিল চামচ আস্ত জিরা এক গ্লাস পানিতে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ওই পানি ফুটিয়ে নিন। পানি ছেঁকে জিরা সরিয়ে নিন ও অর্ধেক লেবুর রস মেশান। দ্রুত মেদ কমানোর জন্য এই পানি প্রতিদিন সকালে পান করুন একটানা দুই সপ্তাহ।

ওজন কমাতে টকদই ও জিরার গুঁড়া :

এক চা চামচ জিরার গুঁড়া ৫ গ্রাম টকদইয়ের সাথে মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই জিরা টকদইয়ের মিশ্রণ খান। ওজন কমাতে জিরা দিয়ে তৈরি করুন বিভিন্ন খাবারে মেন্যু।

এক গ্লাস পানিতে তিন গ্রাম জিরা পাউডারের সাথে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে পান করুন। ভেজিটেবল সুপ্যের সাথে এক চা চামচ জিরা মিশিয়ে খেতে পারেন।

ভাত রান্না হয়ে আসার একটু আগে এর সাথে জিরা মিশিয়ে নিন। জিরা শুধু ভাতের সুগন্ধই বাড়াবে না বরং ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।

লেবু, আদা ও জিরার মিশ্রণ :

ওজন কমাতে এটা সবচেয়ে কার্যকর। এই ওজন কমানোর খাবার বানাতে প্রথমে আদা গ্রেট(কুচিয়ে)নিন। একইভাবে সেদ্ধ গাজর ও কুচিয়ে নিন। আপনি চাইলে আরো দু এক পদের সেদ্ধ সবজি দিতে পারেন। এবার এসব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে এর মধ্যে অল্প জিরার গুঁড়া, সামান্য লেবুর রস কুচানো আদা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। রাতের খাবারে অন্যকিছু বাদ দিয়ে এই সালাদ খান। দেখবেন মেদ দ্রুত কমে যাবে।
জিরার এন্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের মেটাবলিজমের হার বাড়ায়। এটি আমাদের দেহের ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে। পুরুষদের পেটের মেদ কমাতে জিরা খুবই কার্যকর।

গ্যাসের সমস্যা কমাতে :

জিরা খাবার হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার সঠিক ভাবে হজম না হলে পেটে গ্যাসের প্রবণতা বাড়ে। জিরা পাকস্থলীতে গ্যাস জমতে বাধা দেয়। খাবার দ্রুত হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্যের মাধ্যমে এটি কাজ করে।

হার্ট এ্যাটাক থেকে রক্ষা করে জিরা :

জিরা শরীরে খারাপ চর্বি ও কলস্টোরল তৈরিতে বাধা দেয়। এভাবে জিরা শরীরের মেদ কমায় ও হার্ট এট্যাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

নেপালের এই সবজিওয়ালি তার সৌন্দর্য দিয়ে ইন্টারনেট মাত করে দিয়েছেন

অনেক পুরুষ এমন মন্তব্য করেছেন যে- নেপালের এই সবজিওয়ালি তার সৌন্দর্য দিয়ে ইন্টারনেট মাত করে দিয়েছেন।

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে নীল চোখের চা-ওয়ালা আরশাদ খানের পর এবার নেপালের এক সবজিওয়ালিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠেছে।

নাম না জানা এই মেয়েটির ছবি টুইটারে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

নেপালি এই মেয়েটি স্থানীয় এক বাজারে সবজি বিক্রি করেন – তার সবজি বহন করা ও বিক্রি করার ছবি এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

টুইটারে নেপালি এই মেয়েটির ছবি শেয়ার করে যারা মন্তব্য করছেন, তাদের বেশিরভাগই মূলত পুরুষ। নেপালের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে এই ছবিটি প্রচুর শেয়ার করা হচ্ছে।

অনেক পুরুষ এমন মন্তব্য করেছেন যে এই সবজিওয়ালি তার সৌন্দর্য দিয়ে ইন্টারনেট মাত করে দিয়েছেন।

সব্যসাচী পুহান নামে একজনের মন্তব্য এমন – “সৌন্দর্য আর কঠিন পরিশ্রম এই দুটোর ফসল হলো নেপালের সবজিওয়ালি। সোশ্যাল মিডিয়ার খ্যাতি জিন্দাবাদ”।

দেশী বান্দা নামে একজন তাঁর টুইটারে লিখেছেন – “কদিন আগে ইন্টারনেটে হাজার হাজার মেয়ে পাকিস্তানের চা-ওয়ালাকে নিয়ে আলোড়ন তুলেছিল, এবার সময় ছেলেদের অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী নেপালের এই সবজিওয়ালিকে নিয়ে ইন্টারনেটে আলোড়ন তোলার”।

অনেকের ভাষ্যমতে, নেপালি এই সবজিওয়ালি ইন্টারনেটের নতুন সেনসেশানে পরিণত হয়েছেন।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বাইরে থেকেও টুইটারে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

স্টুয়ার্ট ফ্রিডম্যান নামের একজন লন্ডন থেকে এই ছবিটি টুইটারে শেয়ার করে নেপালের সকল ভাইবোনদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের চা-ওয়ালা আরশাদ খানকে নিয়ে ইন্টারনেটে ছিল ব্যাপক আলোচনা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার প্রেক্ষাপটে পোশাক মডেলও হয়ে গেছেন সেই চা-ওয়ালা।

আর এবার নেপালি এই সবজিওয়ালিকে ইন্টারনেটে আলোড়ন তোলার পর অনেকে টুইটারে এমন আশাও প্রকাশ করেছেন যে চা-ওয়ালা ও সবজিওয়ালিকে দেখার পরে মানুষ এঁদের পেশাকে সম্মান জানাতে শিখবেন।

কেউ কেউ আবার মজা করে চা-ওয়ালা আর সবজিওয়ালির বিয়ে দিয়ে দেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন!

মডেলিংয়ে আগ্রহী সেই ‘তরকারিওয়ালি’!

পাকিস্তানের নীল চোখের চা-ওয়ালা আরশাদ খানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আকর্ষণে পরিণত হন নেপালের এক ‘তরকারিওয়ালি’। ওই সময় নাম না–জানা ওই তরুণীর নাম এখন জানা গেছে। তাঁর নাম কুসুম শ্রেষ্ঠা। বয়স ১৮ বছর।

বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, কুসুম শ্রেষ্ঠার পরিবারের বাস নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে গোরখার বেগলিংয়ে। কৃষক পরিবারের মেয়ে তিনি। পার্শ্ববর্তী চিতওয়ান জেলার একটি কলেজে পড়াশোনা করছেন তিনি। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সবজি বিক্রির কাজ করেন।

নেপালের অনলাইন পোর্টাল গুনদ্রুক পোস্টের খবরে বলা হয়, রুপচন্দ্র মহাজান নামের এক নেপালি আলোকচিত্রী গোর্খা ও চিতওয়ানের মাঝামাঝি এলাকা থেকে সবজি বিক্রেতা ওই তরুণীর ছবি তুলেছিলেন। তাজা-টাটকা সবজি বাজারে কীভাবে আসে—এ নিয়ে ছবির গ্যালারি করাই ছিল রুপচন্দ্রের উদ্দেশ্য। তিনি ছবিগুলো অনলাইনে পোস্ট করেন। এরপর সরগরম হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে সেটা সবজির ছবির জন্য নয়, সবজি বিক্রেতা ওই তরুণীর জন্য। লোকে ‘তরকারিওয়ালি’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে ছবিটি ছড়িয়ে দিতে থাকে। কেউ তার সৌন্দর্যে বিমোহিত।

কেউ কেউ আবার ‘চা-ওয়ালা ও তরকারিওয়ালি’ মানুষের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন। আবার কারও কারও মত—সৌন্দর্য ও পরিশ্রম একসঙ্গে মিশেছে এই ‘তরকারিওয়ালি’র ছবিতে।
.

নাম-ঠিকানা প্রকাশিত হওয়ার পর সম্প্রতি বিবিসি নেপালিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুসুম শ্রেষ্ঠা বলেন, তাঁকে নিয়ে যে এত মাতামাতি চলছে, তিনি তা জানতেন না। এক বান্ধবীর কাছ থেকে তিনি প্রথম বিষয়টি জানতে পারেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমার এক বান্ধবী প্রথম আমার কাছে জানতে চায়, তুমি কি সেই মেয়ে, যার ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে? আমি তাঁকে জানালাম যে আমি কিছুই জানি না। তখন সে আমাকে ওই ছবিগুলো পাঠায়। ছবি দেখে আমি তো অবাক! এটা তো আমিই।’

সাম্প্রতিক খ্যাতিতে উচ্ছ্বসিত কুসুম শ্রেষ্ঠা। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হলো—পাকিস্তানের নীল চোখের চা-ওয়ালা আরশাদ খানের মতো তিনিও মডেলিং করতে চান কি না? উত্তরে তিনি বলেন, প্রস্তাব পেলে অবশ্যই মডেলিং করবেন।

কুসুমের বাবা নারায়ণ শ্রেষ্ঠা নেপালের নিউজ সাইট মাইরিপাবলিকা ডট কমকে বলেন, ‘আমি শুনেছি ইন্টারনেটে মেয়ের ছবি খুব জনপ্রিয় হয়েছে। কে ভেবেছিল আমার মেয়ে এমন প্রচার-জনপ্রিয়তা পাবে? আমার মেয়ে বেশ লাজুক। কথাও কম বলে।’ একমাত্র মেয়ের বিষয়ে বাবা জানালেন, মেয়ে নার্সিংয়ে পড়াশোনা করতে চেয়েছিল। কিন্তু অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি মেয়েকে ওই বিষয়ে পড়াতে পারেননি। মেয়ের জনপ্রিয়তায় খুশি বাবা জানালেন, এই ছবি জনপ্রিয় হওয়ার মাধ্যমে বোঝা গেল, কৃষক ও তাদের কঠোর পরিশ্রমকে মানুষ শ্রদ্ধা করে।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার