কোরআন তো ম্যাগাজিনের মত পড়ার বিষয় নয়: টনি ব্লেয়ারের শ্যালিকা

লন্ডন: বিশ্বের বহুল আলোচিত ঘটনা নাইন ইলিভেনের ঘটনা। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের এই ঘটনার পর থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় ইসলাম বিদ্বেষী তৎপরতা জোরদার হওয়া সত্ত্বেও ইসলামের প্রতি এ অঞ্চলের অমুসলিম জনগণের আকর্ষণ ক্রমেই বাড়ছে।

মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনের সুরা তওবার ৩২ নম্বর আয়াতে বলেছেন, ‘তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তার নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে।’

ব্রিটেনের খ্যাতনামা মহিলা ব্যক্তিত্ব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর সৎ বোন লরেন বুথ সাম্প্রতিক সময়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। বুথ জন্ম গ্রহণ করেছেন ১৯৬৭ সালে। ইসলামে দীক্ষিত হওয়া সম্পর্কে তিনি লিখেছেন: ‘আমাকে যখন কেউ প্রশ্ন করে কেন আমি এমন এক ধর্মে দীক্ষিত হলাম যে ধর্ম পশ্চিমা গণমাধ্যমে সবচেয়ে কম নন্দিত হয়, তখন ইরানের একটি মসজিদে আমি যে আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তা উল্লেখ করা জরুরি মনে করি।’

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর সৎ বোন লরেন বুথ একজন উপস্থাপক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী। তাই মধ্যপ্রাচ্যের খবর পরিবেশনের জন্য তিনি অনেক বার এ অঞ্চল সফরের সুযোগ পেয়েছেন। ভ্রমণ-কাহিনীর একাংশে মিসেস বুথ বলেছেন, ‘পরবর্তী তিন বছরে আমি বেশ কয়েকবার অধিকৃত ফিলিস্তিন সফর করেছি। ধর্ম ও নানা শ্রেণী বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে ফিলিস্তিনিদের যেসব কষ্ট ও দূর্দশা দেখেছি তা আমার কাছে অসহনীয় বা বেশ ভারী বোঝা বলে মনে হয়েছে।’

‘২০০৫ সালের জানুয়ারি মাসে আমি একাকী ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর সফর করেছিলাম যাতে ‘দ্যা মেইল অন সানডে’ নামক দৈনিকটির জন্য নির্বাচনের সংবাদ পাঠাতে পারি। এর আগে আমি কখনও কোনো আরব বা মুসলমানদের এলাকায় থাকিনি। এ সফর আমাকে মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা এনে দেয়। পৃথিবীর এ অঞ্চল এবং হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র অনুসারীদের ব্যাপারে আমরা যা জানি তার বেশিরভাগেরই ভিত্তি হল পশ্চিমা গণমাধ্যমের বৈষম্যমূলক ও উদ্বেগপূর্ণ নানা খবর। আর এ জন্যই মধ্যপ্রাচ্যের পথে বিমানে থাকার সময় কেবলই মনে এসেছে বার বার ব্যবহৃত হওয়া পুরনো কিছু শব্দ। যেমন, যেখানে যাচ্ছি সেখানকার মানুষ উগ্র বা গোড়া, সেখানে বিয়েগুলো হয় আরোপিত, তারা আত্মঘাতি বোমা হামলাকারী এবং জিহাদি। কিন্তু আমি যা ভাবতাম তার চেয়েও অনেক বেশি ইতিবাচক ছিল আমার এই প্রথম অভিজ্ঞতা।’

টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর সৎ বোন লরেন বুথ আরো বলছেন, ‘উপযোগী পোশাক ও কোট না পরেই প্রবেশ করলাম ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে। কারণ, ইসরাইলি কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে আমার স্যুটকেস রেখে দিয়েছিল। রামাল্লার কেন্দ্রস্থলে যখন হাঁটছিলাম শীতে গা কাঁপছিল। এক বৃদ্ধা মহিলা আমার হাত ধরলেন। মহিলা খুব দ্রুত কথা বলছিলেন এবং নিয়ে গেলেন গলির এক কোনে অবস্থিত তার ঘরে। আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে সম্ভবত: একজন বৃদ্ধা সন্ত্রাসী আমাকে অপহরণ করলেন। কয়েক মিনিটের জন্য হতভম্ব হয়ে ছিলাম। এরপর দেখলাম বৃদ্ধা ফিলিস্তিনি মহিলা তার মেয়ের পোশাকের আলমারি থেকে আমার জন্য একটি কোট, টুপি এবং ওড়না বের করলেন। এরপর আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন ঠিক সেই সড়কে যেখানে আমি হাঁটছিলাম। বৃদ্ধা ফিলিস্তিনি মহিলা আমাকে চুমো খেলেন এবং খুব আন্তরিক চিত্তে বা বন্ধুত্বপূর্ণ আবেগ নিয়ে আমাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন। আমাদের মধ্যে বোধগম্য একটি শব্দও বিনিময় হয়নি। কিন্তু তার ওই দানশীল আচরণ আমি কখনও ভুলব না। এমন ঘটনা নানা আঙ্গিকে ঘুরে-ফিরে শত শত বার ঘটতে দেখেছি। কিন্তু যেসব খবর আমরা পড়ি বা দেখি তাতে এমন সহৃদয় আচরণের কথা খুব কমই স্থান পেয়েছে।’

মিসেস বুথ আরো লিখেছেন, ‘ধীরে ধীরে আমার দৈনন্দিন কথোপকথনে মাশাআল্লাহ ও ইনশাল্লাহ জাতীয় শব্দগুলো স্থান করে নেয়। মুসলমানরা গভীর আনন্দময় অনুভূতি নিয়ে আল্লাহর নাম থেকে উৎসারিত এসব সংক্ষিপ্ত বাক্য উচ্চারণ করেন। মুসলিম গ্রুপগুলোর সঙ্গে সাক্ষাত আর অপছন্দনীয় মনে হত না। বরং আবার কখন এ ধরণের গ্রুপের সাথে সাক্ষাত করব সে জন্য অপেক্ষায় থাকতাম। এসব গ্রুপের সাথে সাক্ষাতের ফলে সচেতন ও বিচক্ষণ লোকদের সঙ্গ পেতাম এবং আরো বড় দিক হল, এসব সাক্ষাতের সুবাদে দয়ালু ও দানশীল মানুষের সঙ্গ পেতাম।’

মুসলিম মহিলাদের সঙ্গে ব্যাপক যোগাযোগের সুবাদে লরেন বুথের কাছে এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে তাদের সম্পর্কে পাশ্চাত্যে যেসব ধারণা দেয়া হয় বাস্তবতা তার সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি লিখেছেন, ‘মুসলিম সংস্কৃতি ও বিশেষ করে মুসলিম মহিলাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে উপলব্ধি ইসলাম সম্পর্কে আরো ব্যাপকভাবে জানার উৎসাহ দিয়েছে আমাকে। মুসলিম নারীর মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢাকা থাকে। আর এই পোশাকের কারণেই তারা অন্যদের কাছে সম্মান পায়। অন্যদিকে আমাদের তথা পাশ্চাত্যের ফ্রি সোসাইটি বা কথিত মুক্ত সমাজে আমাদের নারী ও কন্যাদের কতটা সম্মান দেয়া হয়?’

‘২০০৭ সালে আমি লেবাননে যাই। সেখানে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গ দিয়েছি চারদিন। তারা সবাই পরিপূর্ণ হিজাব বা ইসলামী পোশাক পরত। অনুজ্জ্বল কিংবা জিনসের প্যান্টের ওপর পরা তাদের পোশাকে বেল্টও ছিল এবং ঢাকা ছিল তাদের চুল। তারা ছিল প্রাণোচ্ছল, স্বাধীন ও নির্ভিক বা স্পষ্টভাষী। অন্য কথায় জড়সড় বা গুটিয়ে থাকা মেয়ে ছিল না তারা। তাদেরকে জোর করে বিয়ে দেয়া হয় বলে পশ্চিমারা যা প্রচার করে তার সামান্য লেশও দেখা যায়নি।’

মিসেস বুথ আরো বলেছেন, ‘ওরা একবার হিজবুল্লাহর সেনা কমান্ডারের সাক্ষাতকার নিতে আমার সাথে এসেছিল। এই মেয়েদের সাথে হিজবুল্লাহ কমান্ডারের আচরণে বেশ আনন্দিত ও বিস্মিত হয়েছিলাম। তিনি যখন বন্দি বিনিময়ের বিষয়ে কথা বলছিলেন তারা স্বাধীনভাবেই কমান্ডারের কথার মাঝখানেই কথা বলছিল ও নিজেদের মত প্রকাশ করছিল।’

দোয়া ও মসজিদ প্রসঙ্গে বুথ বলেছেন, ‘সব সময়ই দোয়া বা প্রার্থনায় মশগুল হতে ভালবাসতাম। শৈশব থেকেই হযরত ঈসা (আ.) ও তার পূর্ববর্তী নবী-রাসূলের কাহিনী শুনে মজা পেতাম। …..যতই মধ্যপ্রাচ্যে আমার সফর বাড়ছিল ততই মসজিদে যাওয়ার আগ্রহও বাড়তে থাকে। মসজিদ গির্জার মত মূর্তিযুক্ত ও বেঞ্চযুক্ত নয়। কার্পেট-বিছানো মসজিদকে বড় ধরণের বৈঠকখানার মত দেখলাম যেখানে শিশুরা খেলাধুলা করে এবং মহিলারাও সেখানে এবাদত-বন্দেগী করেন এবং হুইল-চেয়ারে বসা দাদীমারা কোরআন পড়ছেন। তারা তাদের জীবনকে নিয়ে এসেছেন মসজিদে এবং এবাদতের স্থানকে নিয়ে আসতেন নিজ ঘরে।’

বুথের জীবনের এক অনন্য ও মোড়-ঘুরিয়ে দেয়া ঘটনা ছিল কোম সফর। তিনি লিখেছেন, ‘এক সন্ধ্যায় ইরানের কোম শহরে আসি। সেখানে সোনালী গম্বুজের নীচে হযরত মাসুমা (সা.)’র পবিত্র মাজার পরিদর্শন করি। আমি যখন জিয়ারতকারী অন্য মহিলাদের মত তার মাজারের মূল সমাধির চারপাশে থাকা লোহার জালি স্পর্শ করি তখন কয়েক বার আল্লাহর নাম উচ্চারণ করেছি। যখন বসলাম নির্ভেজাল এক আধ্যাত্মিক আনন্দ অনুভব করলাম। এ আনন্দ এমন নয় যা মানুষকে পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে, বরং তা এমন এক আনন্দ যা মানুষকে দেয় নিরাপত্তা ও পরিপূর্ণ প্রশান্তি। অনেকক্ষণ বসেছিলাম। ইসলাম মানুষকে যে শক্তি ও প্রশান্তি দান করে তা আমাকে সব সময়ই অভিভূত করেছে। এরপর ভাবলাম যে আমি মুসলিম বিশ্বে এখন আর একজন ট্যুরিস্ট নই, বরং ইসলামী সমাজেরই একজন মুসাফির (যে এখানে মাজার জিয়ারত করতে এসেছে,) যে ইসলামী সমাজে সব মুমিনই পরস্পর ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ।’

বুথ আরো লিখেছেন, ‘মানুষ আমাকে প্রশ্ন করে, আমি কতটা কোরআন পড়েছি, উত্তরে বলতে হয়, কোরআন তো ম্যাগাজিনের মত পড়ার বিষয় নয়, কোরআনের গভীর অর্থবহ বাণী গভীরভাবে চিন্তা করে পড়া উচিত। সারা জীবন ধরে আমাকে বুঝতে হবে কোরআন। কোরআন আমাকে আরবী শিখতেও সহায়তা করে, আমিও আরবী ভাষা শিখতে আগ্রহী, তবে এ জন্যও সময় দরকার।’

ইসলাম গ্রহণের পর বদলে গেছে টনি ব্লেয়ারের শ্যালিকা মিসেস লরেন বুথের জীবন। এই পরিবর্তনে তিনি সন্তুষ্ট। এখন আর তিনি শুকরভোজী ও মদ্যপায়ী নন। ইসলাম তাকে দিয়েছে সৌভাগ্য ও চরম আনন্দের অনুভূতি।

আরটিএনএন

ক্ষমা লাভে যে ইসতেগফার পড়বেন !!

জিকির-আজকার, ইবাদত-বন্দেগি, তাওবা-ইসতেগফার, তথা সব কিছু একনিষ্ঠ নিয়তে করা আবশ্যক। একনষ্ঠিতা পাওয়া না গেলে এ সব কাজের কোনো মূল্যই নেই। বিশেষ করে তাওবা করার অর্থ হলো কৃত পাপ পরিত্যাগ করার দৃঢ় সংকল্প করা। সে পাপে আর কখনো লিপ্ত না হওয়া।

তাওবা করে পুনরায় কোনো ব্যক্তির পাপে লিপ্ত হওয়া মূলত মহান আল্লাহ তাআলার সঙ্গে ঠাট্টা করারই নামান্তর। অথচ আল্লাহ তাআলাই হলেন বান্দার জন্য ভয় পাওয়ার একমাত্র অধিকারী। তাঁকেই সবচেয়ে বেশি ভয় করা উচিত। আর তিনি বান্দাকে ক্ষমা করারও অধিকারী। তিনি ব্যতিত দ্বিতীয় কেউ বান্দাকে ক্ষমা করতে পারবে না।

সুতরাং যে ব্যক্তি তার কাছে ক্ষমা চাইবে; আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তিকে শুধু মাত্র শিরক ব্যতিত সব গোনাহ ক্ষমা করে দিবেন। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য তাওবা ও ইসতেগফারের দোয়া শিখিয়েছেন। হাদিসে এসেছে

হজরত বেলাল ইবনে ইয়াসার ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণিত, হজরত যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, ‘যে ব্যক্তি বলল-

উচ্চারণ :

‘আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।’
অর্থ : আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ব্যতিত কোনো মাবুদ নেই, যিনি চিরঞ্জীব, চির প্রতিষ্ঠিত এবং তাঁর কাছে তাওবা করি।’

আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তিকে ক্ষমা করবেন, যদিও সে জেহাদ থেকে পলায়ন করে থাকে। (তিরমিজি ও মিশকাত)
সুতরাং আল্লাহ তাআলার কাছে যাবতীয় অন্যায় অপরাধে ক্ষমা লাভে সকাল-সন্ধ্যাসহ সব সময় তাওবা ও ইসতেগফার করা জরুরি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শিরক ব্যতিত যাবতীয় পাপ থেকে ক্ষমা লাভে হাদিসে বর্ণিত দোয়ার মাধ্যমে ইসতিগফার ও তাওবা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

কাবার দরজায় ৮ টুকরো মরমর পাথরের রহস্য কী? জেনে নিন !!

পবিত্র কাবা শরিফের দরজার পাশেই ৮টি মরমর পাথরের টুকলো লাগানো রয়েছে। এর কারণ সম্পর্কে সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আল আরাবিয়া ডটনেট।

রিপোর্টে পবিত্র কাবার দরজার সাথে সম্পর্কিত ৮ টুকরা পাথরের ইতিহাস সম্পর্কে বলা হয়। যা সম্পর্কে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ জানেন।

ধারণা করা হয়, কমপক্ষে ৮ শ বছর ধরে লাগানো আছে গাঢ় হলুদ রঙের এ পাথর। যাকে ‘মেরি স্টোন’ নামে অভিহিত করা হয়।

মুয়াজ্জিনদের বক্তব্য অনুযায়ী এই ৮ টুকরা পাথর আজানখানার কাছে অবস্থিত। এখানে হরত জিবরাঈল আ. হুজুর আকরাম সা. কে নামাজ শিক্ষা দিতেন। আজানখানা সাদা রঙের মোজাইক দারা তৈরি আর এর নিচেই এই পাথরের অবস্থান।

১২১৩ হিজরি থেকে ১৩৭৭ হিজরি পর্যন্ত এই পাথরগুলি চুরি হয়ে গিয়েছিল। আজানখানার জায়গা সংকীর্ণ হওয়ায় এখানে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি দাঁড়াতে পারে, এই কারণেই সেখান থেকে পাথরগুলি সরিয়ে কাবার দরজার কিনারায় কাছে লাগান হয়।

হারামাইন শরিফাইনের কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আল হাশেমী বলেন, এই পাথর আব্বাসী খলিফা আবু জাফর মনসুর মসজিদে হারামের জন্য দান করেছিলেন। ৬৩১ হিজরীতে মসজিদের মেঝের মেরামতের সময় এই পাথরগুলো দিয়েছিলেন। এই পাথরের নীল অংশের উপর তারিখ লেখা করা রয়েছে।

আল হাশেমী আরও বলেন, এই পাথরের উপর খুবই চমৎকার নকশা ও ফল অলঙ্কিত রয়েছে। আকারে এই পাথর সবগুলি এক নয় বরং আলাদা আলাদা সাইজের। এর মধ্যে সবচেয়ে বর পাথরটি দৈর্ঘে ৩৩ সেন্টিমিটার আর প্রস্থে ২১ সেন্টিমিটার।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার