এক গরীব লোক এক থোকা আঙ্গুর নিয়ে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর …

এক গরীব লোক এক থোকা আঙ্গুরনিয়ে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর কাছে উপহার দিলো।পাশেই বিভিন্ন সাহাবীরা উপস্থিত ছিলেন।

.
রাসুল (সাঃ) আঙ্গুরের থোকা থেকেএকটা আঙ্গুর ছিড়ে মুখে দিলেন,তারপর এক এক করে সবগুলো
আঙ্গুর খেয়ে ফেললেন কিন্তু পাশেবসে থাকা সাহাবীদের কাউকেইআঙ্গুর খেতে সাধলেন না।
.
চোখের সামনে প্রিয় নবীর এভাবে আঙ্গুর খাওয়া দেখে গরীব লোকটিঅনেক খুশী হলো, তারপর রাসুলেরকাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো।
.

লোকটি চলে যাবার পর এক সাহাবী রাসুল (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আপনি কিভাবে একাই সব আঙ্গুর খেয়ে ফেললেন, আমাদের কাউকে একটু ভাগ দিলেন না! সাহাবীর প্রশ্ন শুনে রাসুল (সাঃ) মুচকি হেসে উত্তর দিলেন,
.
“আমি একাই সব আঙ্গুর খেয়ে ফেলেছি কারন আঙ্গুরগুলো টক ছিলো। যদি আমি তোমাদের কে আঙ্গুর খেতে সাধতাম, তোমাদের মুখভঙ্গি দেখেই হয়তো লোকটি বুঝে ফেলতো এবং কষ্ট পেতো।
.
তাই আমি চিন্তা করে দেখলাম, যদি আঙ্গুরগুলো আমি একাই আনন্দের সাথে খেয়ে ফেলি লোকটি খুশি হবে এবং এটাই সবদিক দিয়ে ভাল”।
.
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পুরো জীবনটাই এমন অসংখ্য উদাহরণ দিয়ে পরিপূর্ণ। আমরা জন্মসূত্রে যারা মুসলিম, সেগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলে পৃথিবীর অনেক কিছুই পাল্টে যেতো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রাসুল (সাঃ) এর রেখে যাওয়া শিক্ষাগুলোকে আমাদের জীবনে কাজে লাগানোর তৌফিক দিন।
(সংগৃহীত)

৩০ বছর ধরে ইসলাম সম্পর্কে জেনে শুনেই ইসলাম গ্রহণ করেছি- সাবেক বৃটিশ রাষ্ট্রদূত

সৌদি আরবে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত সিমন পল কলিস ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এটি ছিল গত বছরের আলোচত ঘটনা। এর আগে কোন পশ্চিমা উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ইসলাম গ্রহণের ঘটনা ঘটেনি।
চলতি বছর যে ১৯ হাজার ব্রিটিশ পবিত্র হজ পালন করেছেন তাদের মধ্যে সৌদি আরবে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত সিমন পল কলিস এবং তার স্ত্রী হুদা মুকারখেচও রয়েছেন। এই দম্পতির হজ করার একাধিক ছবি প্রকাশ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের মর্যাদাপূর্ণ সংবাদপত্র আরব নিউজে।
১৩ সেপ্টেম্বর আরবিতে টুইট করে সিমন লিখেছেন,

আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি মুসলিম সমাজ সস্মর্কে জেনেই। আমি বিগত ত্রিশ বছর থেকে মুসলমানদের জানি। আমি আমার স্ত্রী হুদাকে বিয়ে করার আগে ইসলাম গ্রহণ করি।

হাজীরা যে সাদা পোশাক পড়ে হজব্রত পালন করেন সেই পোশাক পড়ে স্বামী স্ত্রীর হাসিমুখের ছবির পাশাপাশি কাবা শরিফের ভেতরেও সিমন পল কলিসের ছবিও প্রকাশ করেছে আরব নিউজ। এই ছবিগুলো টুইটার, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্ট্রাগামসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

পশ্চিমা দুনিয়ায় যখন ইসলাম নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর প্রকাশ হচ্ছে, তখন ব্রিটিশ কূটনীতিকের এই ইসলাম গ্রহণ এই ধর্মটির আবেদন আরও বাড়িয়ে দেবে বলে লিখেছে আরব নিউজ।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইট বার্তায় ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৌদি লেখক ও অধ্যাপক ফৌজিয়া আল বকর। ফৌজিয়া বককের টুইটের জবাবও দিয়েছেন ওই দম্পতি।

এই টুইটে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি লিখেন, ‘গত ৩০ বছর ধরেই আমি মুসলিম সমাজে অবস্থানের পর হুদাকে বিয়ে করার আগেই আমি ইসলাম গ্রহণ করি।’

সিমন পল কনিস ১৯৭৮ সালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগ দেন। এরপর থেকে তিনি আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সৌদি আরবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পান ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে।

পাঁচ সন্তানের জনক কনিস ১৯৮১ থেকে ৮৪ সাল পর্যন্ত বাহরাইনে ব্রিটিশ দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেন। এরপর ১৯৯১ থেকে ৯৪ সাল পর্যন্ত দিল্লি দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি, ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দুবাই এবং ২০০৪ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বার্সায় ব্রিটিশ কাউন্সিল জেনারেল ছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কাতার, ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সিরিয়া এবং ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইরাকে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত ছিলেন কনিস।

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের ইসলাম গ্রহণের খবরটি ছড়িয়ে যাওয়ার পর বহু মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এদের একজন সৌদি রাজকুমারী বাছমাহ বিনত সৌদ। তিনি এক টুইটে লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রীকে বিশেষ অভিনন্দন।’ জবাবে তাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন সিমন পল কনিস।

সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়া ব্রিটিশরাও এই খবরে উৎফুল্ল হয়েছেন। কাউন্সিল অব ব্রিটিশ হাজিসের প্রধান নির্বাহী রশিদ মোগ্রাদিয়া নামে একজন বলেছেন, ‘এই ঐতিহাসিক হজ করায় আমি রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা তার সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য মুখিয়ে আছি।

উনি একজন ‘মহিলা কসাই”

বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার তিনি, সরকারী হাসপাতালে ডিউটি করেন অন্য সবার মতো। অবসরে তিনি ভবঘুরেদের দেন এক টাকায় চিকিৎসা।

একদিন তাঁকে দায়িত্ব দেয়া হয় এয়ারপোর্টের শ্বাসকষ্টের ভোগা এক ঘরহীন বিধবার। সারাদিন অফিস করে বাসায় ফেরা হয় নি আর, সরাসরি দৌড়াতে হলো ঢাকা মেডিক্যালে। সেখানেই তাঁর ভোর হয়েছে, সারারাত দৌড়াতে হয়েছে টেস্টের জন্য, রোগীর খাবারের জন্য, আর মানুষের কৌতুহল মেটানো – ছিন্ন কাপড়ের এই ভবঘুরে রোগীর সাথে তাঁর কি সম্পর্ক, তাঁর কি স্বার্থ?

ময়লা প্লাটফর্মে শুয়ে শুয়ে ময়লার আস্তরণ পড়েছে রোগীর দেহে, গন্ধে কাছে আসতে চায় না কেউ তাঁর। হাসপাতালে গোসল করানোর সুযোগ থাকলেও কেউ টাকার বিনিময়েও তাঁকে গোসল করাতে চায় নি।

অবশেষে সে (কসাই) ডাক্তার এগিয়ে গেলো, নিজের হাতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করে রোগীকে রূপ দিলেন শুদ্ধতার, আর নিজে নিলেন আত্মার পরিশুদ্ধি।

“লোক দেখানো” ভাবার দরকার নেই, গত দুই মাসে এই (কসাই) ডাক্তার ইতিমধ্যে দেড় হাজারের বেশী রোগী সার্ভ করেছেন উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে নাইক্ষ্যংছড়িতে। পথে পথে শিশু আর বৃদ্ধদের চিকিৎসার পাশাপাশি নখ কেটে দেন, পরিস্কার করে দেন ময়লা শরীর।

পোস্ট দেয়া হয় না সস্তা বিজ্ঞাপনের তকমার ভয়ে। আজ শেয়ার করলাম আপনাদের মুখে তালা দিতে।

সমাজের নামে “গেলো গেলো” বলে যারা নাক ছিটকাচ্ছেন, তাঁরা নিজেরা কি করছেন এই সমাজের জন্য, চাকরী আর সংসার বাদে?

দেশে ভালো কাজ হয়, যা আপনার সংকির্ণ চোখে ধরা পড়বে না। ধরা পড়লেও লোক দেখানো বলে নিজের নির্লিপ্ততাকে জাস্টিফাই করে খায়েশ মেটাবেন, আর হতাশ করবেন নতুন প্রজম্মকে।

তারুণ্যের এসব গল্প প্রচার পাবে না, কারণ এতে নোংরামি নেই…….

(তথ্য ও ছবি ডা.নেসার আহমেদ)

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার