আপনার বাসার বা অফিসের বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে হয় জানেন কি? একটা সহজ হিসাব জেনে নিন

আজ আমি আপনাদের সামনে এনার্জি মিটার বিদ্যুৎ বিল হিসাব নিয়ে হাজির হয়েছি। আমরা বাসা বাড়িতে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি আর কি পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছি তার একটি সহজ বিদ্যুৎ বিল হিসাব দেখাবো। তবে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার আগে আমাদের বেশ কিছু জিনিশ মাথায় রাখতে হবে।

 

1kWh = 1 unit (kwh হলো কিলো ওয়াট আওয়ার)

1hp = 746watt

Power, P = VIcosϕ (Single phase)

Power, P = √3VIcosϕ (Three phase)

1000W = 1kW

h = time in hour

kw কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুণ করলে গুনফল ইউনিট হবে।

বছরে কোন মাস কতদিন, জানতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল হিসাব :

বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য প্রথমে আমরা একটি নিয়ম অনুসরণ করবো এবং পরে তা বাসাবাড়িতে বা যে কোন স্থানে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য ব্যবহার করতে পারবো।

নেট বিল = এনার্জি বিল + মিটার বিল

এনার্জি বিল = এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ (kWh) * প্রতি ইউনিটের মূল্য

মিটার বিল = ডিমান্ড চার্জ + সার্ভিস চার্জ

ডিমান্ড চার্জ = ১৫ টাকা পার কিলোওয়াট

সার্ভিস চার্জ = ১০ টাকা সিঙ্গেল ফেজের জন্য, ৩০ টাকা থ্রী ফেজের জন্য

ভ্যাট = নেট বিলের সাথে ৫% যোগ

নির্দিষ্ট সময় এর ভেতর বিল পরিশোধ করতে না পারলে জরিমানা = নেট বিলের সাথে ৫% যোগ

বাসা বাড়িতে আমরা যে ধরনের লোড ব্যবহার করিঃ

লাইট সাধারণত = ১৫-২০০ ওয়াট
ফ্যান সাধারণত = ৫০-৮০ ওয়াট
টেলিভিশন = ২৫-১০০ ওয়াট
ল্যাপটপ = ২০-৬০ ওয়াট
রেফ্রিজারেটর = ৮০-২০০ ওয়াট
এসি = ১০০০-৩০০০ ওয়াট
আয়রন = ৫০০-১০০০ ওয়াট
পাম্প মোটর = ১/৮ থেকে ৩ হর্স পাওয়ার
ডেস্কটপ কম্পিউটার = ৮০-২৫০ ওয়াট
ও ইত্যাদি। আমরা বলছি না যে এই লোড গুলো ব্যবহার করবো এবং তা এই ওয়াটের ভিতরেই। এই লোড এবং ওয়াট গুলো দেওয়া হয়েছে আপনাদের সাধারণ একটা ধারণা দেবার জন্য।

লোডের হিসাব

উপরোক্ত আলোচনা আমরা দেখেছি বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য একটি নিয়ম। সেখানে উল্লেখ আছে, নেট বিল = এনার্জি বিল + মিটার বিল।

এনার্জি বিল জানার জন্য এবার প্রথমে আমাদের জানতে হবে এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ (kWh) ও প্রতি ইউনিটের মূল্য। তাহলে আমাদের ৯০% কাজ শেষ।

এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ জানার জন্য আমাদের লোডের হিসাব করতে হবে অর্থাৎ কি কি লোড আমরা ব্যবহার করছি ও সেই লোডগুলো কত ওয়াটের।

লোডের হিসাবঃ

যদি লোড ওয়াটে দেওয়া থাকে তাহলে সেটা W এর মান। এখানে W মানেই watt.
লোডে কারেন্ট এবং ভোল্টেজ মান দেওয়া থাকলে তা পাওয়ারের সূত্র দিয়ে বের করতে হবে। পাওয়ার এর সূত্র শুরুতে প্রথমে ইনভার্টেড কমা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
হর্স পাওয়ারে দেওয়া থাকলে 746 দিয়ে গুণ করে W মানে watt এ নিতে হবে।
W কে kW নিতে হবে অর্থাৎ w কে ১০০০ দিয়ে ভাগ করে কিলোওয়াট নিতে হবে।
kW কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুণ করে ইউনিট বের করতে হবে।

আজ আমি আপনাদের সামনে এনার্জি মিটার বিদ্যুৎ বিল হিসাব নিয়ে হাজির হয়েছি। আমরা বাসা বাড়িতে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি আর কি পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছি তার একটি সহজ বিদ্যুৎ বিল হিসাব দেখাবো। তবে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার আগে আমাদের বেশ কিছু জিনিশ মাথায় রাখতে হবে।

 

1kWh = 1 unit (kwh হলো কিলো ওয়াট আওয়ার)

1hp = 746watt

Power, P = VIcosϕ (Single phase)

Power, P = √3VIcosϕ (Three phase)

1000W = 1kW

h = time in hour

kw কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুণ করলে গুনফল ইউনিট হবে।

বছরে কোন মাস কতদিন, জানতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল হিসাব :

বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য প্রথমে আমরা একটি নিয়ম অনুসরণ করবো এবং পরে তা বাসাবাড়িতে বা যে কোন স্থানে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য ব্যবহার করতে পারবো।

নেট বিল = এনার্জি বিল + মিটার বিল

এনার্জি বিল = এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ (kWh) * প্রতি ইউনিটের মূল্য

মিটার বিল = ডিমান্ড চার্জ + সার্ভিস চার্জ

ডিমান্ড চার্জ = ১৫ টাকা পার কিলোওয়াট

সার্ভিস চার্জ = ১০ টাকা সিঙ্গেল ফেজের জন্য, ৩০ টাকা থ্রী ফেজের জন্য

ভ্যাট = নেট বিলের সাথে ৫% যোগ

নির্দিষ্ট সময় এর ভেতর বিল পরিশোধ করতে না পারলে জরিমানা = নেট বিলের সাথে ৫% যোগ

বাসা বাড়িতে আমরা যে ধরনের লোড ব্যবহার করিঃ

লাইট সাধারণত = ১৫-২০০ ওয়াট
ফ্যান সাধারণত = ৫০-৮০ ওয়াট
টেলিভিশন = ২৫-১০০ ওয়াট
ল্যাপটপ = ২০-৬০ ওয়াট
রেফ্রিজারেটর = ৮০-২০০ ওয়াট
এসি = ১০০০-৩০০০ ওয়াট
আয়রন = ৫০০-১০০০ ওয়াট
পাম্প মোটর = ১/৮ থেকে ৩ হর্স পাওয়ার
ডেস্কটপ কম্পিউটার = ৮০-২৫০ ওয়াট
ও ইত্যাদি। আমরা বলছি না যে এই লোড গুলো ব্যবহার করবো এবং তা এই ওয়াটের ভিতরেই। এই লোড এবং ওয়াট গুলো দেওয়া হয়েছে আপনাদের সাধারণ একটা ধারণা দেবার জন্য।

লোডের হিসাব

উপরোক্ত আলোচনা আমরা দেখেছি বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য একটি নিয়ম। সেখানে উল্লেখ আছে, নেট বিল = এনার্জি বিল + মিটার বিল।

এনার্জি বিল জানার জন্য এবার প্রথমে আমাদের জানতে হবে এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ (kWh) ও প্রতি ইউনিটের মূল্য। তাহলে আমাদের ৯০% কাজ শেষ।

এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ জানার জন্য আমাদের লোডের হিসাব করতে হবে অর্থাৎ কি কি লোড আমরা ব্যবহার করছি ও সেই লোডগুলো কত ওয়াটের।

লোডের হিসাবঃ

যদি লোড ওয়াটে দেওয়া থাকে তাহলে সেটা W এর মান। এখানে W মানেই watt.
লোডে কারেন্ট এবং ভোল্টেজ মান দেওয়া থাকলে তা পাওয়ারের সূত্র দিয়ে বের করতে হবে। পাওয়ার এর সূত্র শুরুতে প্রথমে ইনভার্টেড কমা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
হর্স পাওয়ারে দেওয়া থাকলে 746 দিয়ে গুণ করে W মানে watt এ নিতে হবে।
W কে kW নিতে হবে অর্থাৎ w কে ১০০০ দিয়ে ভাগ করে কিলোওয়াট নিতে হবে।
kW কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুণ করে ইউনিট বের করতে হবে।

আজ আমি আপনাদের সামনে এনার্জি মিটার বিদ্যুৎ বিল হিসাব নিয়ে হাজির হয়েছি। আমরা বাসা বাড়িতে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি আর কি পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল দিচ্ছি তার একটি সহজ বিদ্যুৎ বিল হিসাব দেখাবো। তবে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার আগে আমাদের বেশ কিছু জিনিশ মাথায় রাখতে হবে।

 

1kWh = 1 unit (kwh হলো কিলো ওয়াট আওয়ার)

1hp = 746watt

Power, P = VIcosϕ (Single phase)

Power, P = √3VIcosϕ (Three phase)

1000W = 1kW

h = time in hour

kw কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুণ করলে গুনফল ইউনিট হবে।

বছরে কোন মাস কতদিন, জানতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল হিসাব :

বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য প্রথমে আমরা একটি নিয়ম অনুসরণ করবো এবং পরে তা বাসাবাড়িতে বা যে কোন স্থানে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য ব্যবহার করতে পারবো।

নেট বিল = এনার্জি বিল + মিটার বিল

এনার্জি বিল = এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ (kWh) * প্রতি ইউনিটের মূল্য

মিটার বিল = ডিমান্ড চার্জ + সার্ভিস চার্জ

ডিমান্ড চার্জ = ১৫ টাকা পার কিলোওয়াট

সার্ভিস চার্জ = ১০ টাকা সিঙ্গেল ফেজের জন্য, ৩০ টাকা থ্রী ফেজের জন্য

ভ্যাট = নেট বিলের সাথে ৫% যোগ

নির্দিষ্ট সময় এর ভেতর বিল পরিশোধ করতে না পারলে জরিমানা = নেট বিলের সাথে ৫% যোগ

বাসা বাড়িতে আমরা যে ধরনের লোড ব্যবহার করিঃ

লাইট সাধারণত = ১৫-২০০ ওয়াট
ফ্যান সাধারণত = ৫০-৮০ ওয়াট
টেলিভিশন = ২৫-১০০ ওয়াট
ল্যাপটপ = ২০-৬০ ওয়াট
রেফ্রিজারেটর = ৮০-২০০ ওয়াট
এসি = ১০০০-৩০০০ ওয়াট
আয়রন = ৫০০-১০০০ ওয়াট
পাম্প মোটর = ১/৮ থেকে ৩ হর্স পাওয়ার
ডেস্কটপ কম্পিউটার = ৮০-২৫০ ওয়াট
ও ইত্যাদি। আমরা বলছি না যে এই লোড গুলো ব্যবহার করবো এবং তা এই ওয়াটের ভিতরেই। এই লোড এবং ওয়াট গুলো দেওয়া হয়েছে আপনাদের সাধারণ একটা ধারণা দেবার জন্য।

লোডের হিসাব

উপরোক্ত আলোচনা আমরা দেখেছি বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য একটি নিয়ম। সেখানে উল্লেখ আছে, নেট বিল = এনার্জি বিল + মিটার বিল।

এনার্জি বিল জানার জন্য এবার প্রথমে আমাদের জানতে হবে এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ (kWh) ও প্রতি ইউনিটের মূল্য। তাহলে আমাদের ৯০% কাজ শেষ।

এক মাসে ব্যবহিত ইউনিটের পরিমাণ জানার জন্য আমাদের লোডের হিসাব করতে হবে অর্থাৎ কি কি লোড আমরা ব্যবহার করছি ও সেই লোডগুলো কত ওয়াটের।

লোডের হিসাবঃ

যদি লোড ওয়াটে দেওয়া থাকে তাহলে সেটা W এর মান। এখানে W মানেই watt.
লোডে কারেন্ট এবং ভোল্টেজ মান দেওয়া থাকলে তা পাওয়ারের সূত্র দিয়ে বের করতে হবে। পাওয়ার এর সূত্র শুরুতে প্রথমে ইনভার্টেড কমা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
হর্স পাওয়ারে দেওয়া থাকলে 746 দিয়ে গুণ করে W মানে watt এ নিতে হবে।
W কে kW নিতে হবে অর্থাৎ w কে ১০০০ দিয়ে ভাগ করে কিলোওয়াট নিতে হবে।
kW কে সময় (ঘন্টা) দিয়ে গুণ করে ইউনিট বের করতে হবে।

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার