অলৌকিক ঘটনা: দাফনের সময় পলিথিনে ভেসে উঠল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’

দুইদিনের শিশু আবু রায়হান মারা যাওয়ায় দাফন করা হবে। কবর খোড়া সম্পন্ন। হঠাৎই বৃষ্টি নামে। কবর খোড়ার কাজে নিয়োজিত মানুষগুলো কবরটি বৃষ্টির পানিতে যাতে না ভিজে তার জন্য সাদা পলিথন দিয়ে ঢেকে দিল। ঠিক তখনই হঠাৎ পলিথিনের উপর কালো কালী দিয়ে লেখার মতো ভেসে উঠলো আরবি হরফে ‘লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’। আরও দেখা গেল পলিথিনের উপর আরবি বিভিন্ন হরফ এবং একটি মিনার আকৃতির ছবি।

অবাক করার মতো হলেও ১১ জুলাই মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটার দিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার বলিদাপাড়ার কবরস্থানে এ ঘটনাটি উপস্থিত লোকজন দেখেন এবং তা ছবি ও ভিডিও করে রাখেন। কালীগঞ্জের প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পদাক জামির হোসেনের ছোট ভাই ইমদাদুল হক ইন্তার দুইদিন বয়সী ছেলে আবু রায়হানের দাফনের সময় এ দৃষ্টি হয়।

মৃত শিশুর চাচা সাংবাদিক জামির হোসেন জানান, সোমবার কালীগঞ্জের একটি ক্লিনিকে তার ছোট ভাই ইমদাদুল হক ইন্তার স্ত্রী একটি ছেলে সন্তান প্রসব করে। শিশুটি অসুস্থ থাকায় তাকে যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর সে মারা যায়। এর পর মঙ্গলবার বিকালে তার জানাজার পর দাফন করার জন্য বলিদাপাড়া হাসপাতাল সড়কের কবরস্থানে কবর খোড়া হয়। এ সময় বৃষ্টি নামলে স্থানীয় মানুষ কবরটি সাদা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয় যাতে পানি না ঢোকে। তখনই পলিথিনের উপর এমন দৃশ্য দেখা যায়।

তিনি আরও জানান, কিছুক্ষনের মধ্যে ‘লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ শব্দটি মুছে যায়। তবে আরবি হরফগুলো ও মিনার আকৃতির ছবিটি বেশ কিছুক্ষণ ছিল। বিষয়টি স্থানীয়রা ভিডিও ধারণ করে এবং ছবি তোলে। এরপর পরই পলিথিনটি কবরের উপর ঢেকে দিয়ে শিশু আবু রায়হানের দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করছে।

যে ধরণের মুসলিম নারীর নামাজ কবুল হয় না !!

নামাজ হলো মুসলমানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। নর-নারী উভয়ের জন্যেই নামাজ ফরয করা হয়েছে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন কিছু মুসলিম নারী আছেন যাদের নামাজ কবুল হয় না।

১. নবী কারীম সা. এরশাদ করেন, সেই মহিলার কোন নামাজ কবুল হয় না যে তার স্বামী ছাড়া অন্য কারোর জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করে এবং যতক্ষণ না সে নাপাক ব্যক্তির মতো গোসল হয়ে পবিত্র না হয়, ততক্ষণ তার নামাজ কবুল হবে না। (আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ,সিলসিলাতুস সাহীহা : হা. ১০৩১)

২. অন্য একটি হাদিসে নবী কারীম সা. এরশাদ করেন, সর্বশ্রেষ্ঠ স্ত্রী সে যাকে দেখলে মন খুশিতে ভরে ওঠে, তাকে আদেশ করলে সত্বর তা পালন করে, স্বামী বাহিরে গেলে নিজের দেহ, সৌন্দর্য ও ইজ্জতের এবং স্বামীর সম্পদের যথার্থ রক্ষণা বেক্ষণ করে। (মুসনাদে আহমদ : ২/২৫১, নাসাঈ : হা. ৩২৩১)

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) যে দুই ধরণের পাত্রে খাবার খেতে নিষেধ করেছেন !!

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) উনার উম্মতদের জন্য সকল দিক নিদের্শনা দিয়ে গেছেন। কিভাবে নামাজ আদায় করতে হয়, কিভাবে রোজা পালন করতে হয়, কিভাবে যাকাত দিতে হয় কিংবা কিভাবে চললে সারাজীবন সৎ পথে বা ন্যায়ের পথে থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করা যায়। মহানবী (সা.) সকল দিক নির্দেশনার মধ্যে কি ধরণের পাত্রে খাবার খেতে হবে তারও একটা নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস এখান বর্ণনা করা হলো

আরবি হাদিস
وَعَنْ حُذَيْفَةَ رضي الله عنه، قَالَ: نَهَانَا النَّبِيُّ ﷺ أنْ نَشْرَبَ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالفِضَّةِ، وأنْ نَأْكُلَ فِيهَا، وَعَنْ لُبْس الحَريرِ وَالدِّيبَاج، وأنْ نَجْلِسَ عَلَيْهِ . رواه البخاري

বাংলা হাদিস
হুযাইফাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনা ও রূপার পাত্রে পান বা আহার করতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন এবং চিকন ও মোটা রেশম পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। [বুখারি ৫৪২৬, ৫৬৩২, ৫৬৩৩, ৫৮৩১, ৫৮৩৭, মুসলিম ২০৬৭, তিরমিযি ১৮৭৮, নাসায়ি ৫৩০১, আবু দাউদ ৩৭২৩]

আপনার মন্তব্য দিন

শেয়ার